Skip to main content

Posts

কিছু কথা

  বাস্তব জীবনে আমাদের কিছু জিনিসের প্রতি যত্নবান হওয়া দরকার। সময়ের সাথে সাথে জীবনের ধাপগুলো পরিবর্তীত হয়ে যায় একারনে নানা রকম অযত্ন অবহেলা এসে জোটে আমাদের মনের মাঝে। ঠিক এটাকে অবহেলা বলা যায়না, কিন্তু অযত্ন বলতে বাধা নেই । সময় গড়ায় সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে নানারকম কিছু পরিবর্তন হয়। ভালো চাকুরী ভালো অবস্থান সমস্ত কিছুর জন্য আমাদের কত কিছূ্ই না করতে হয়।আমরা সমস্ত কিছু্ই করি। নিজের শীরধারা উচু রাখতে এর বিকল্প তো কিছু নেই। সবাই সবার অবস্থান থেকে ভালো রাখতে চায়, আবার ভালো থাকতেও চায়।
Recent posts

আক্ষেপ

  আক্ষেপ কার আক্ষেপ কত বড়? আমাদের চারপাশে রয়ে যাওয়া পরিবেশ এ যারা আছেন কিংবা আছি। এমন কোন মানুষ পাওয়া যাবেনা, যার জীবনের প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি নিংয়ে কোন আক্ষেপ নেই। একজনের চেয়ে অন্য জনের আক্ষেপ, কস্ট আরো বেশী। এত বেশী যে সমস্ত কিছুর উর্দ্ধে তার সেই আক্ষেপ। জীবন বোধ হয় এমনই সুন্দরের সাথে অসুন্দরের মিলন।যার যত আছে তার তত চাই । তত তার আক্ষেপ। আবার যে যত ফাকিবাজ তার আরো ফাকি দেবার সুযোগ চাই। তার সেই ফাকি দেবার সুযোগ হচ্ছে না বলে আক্ষেপ এর অন্ত নেই । আমরা যারা বিভিন্ন সময়ে নীতি বাক্যর কাছে দিয়ে যাই। তারাও কিন্তু ঠিক সময়ের অপেক্ষায় থাকি। নীতি নৈতিকতা সমস্ত কিছুই শুধুমাত্র নিজের জন্য। নিজের বাইরে গেলে সব কিছুই মলীন হয়ে যায়। যাদের চোখ থাকতে বিভিন্ন কিছু দেখার সুযোগ হয়না তারাই বার বার নিজের হয়নি বা নিজের সাথে মেলেনি বলে গলার স্বর উচু করতে থাকেন। তারা ভুলে যান তাদের কতর্ব্য কিংবা চাওয়াটাই ভুল ছিল।সত্য বলতে ভূলের সাথে বসবাস করে ভূলকে ধরা তো সহজ কথা নয়। আমাদের মনের ভিতরে যে বড় রকমের ঝামেলা চলছে সেটা খুজে বের করাও প্রায় অসম্ভব। আল্লাহ এর বানীতে তিনি উল্লেখ করেছেন যারা নিজেদের অজ্ঞ বানিয়েছেন তা...

সুসংবাদের অপেক্ষা

                                                                       সুসংবাদের অপেক্ষা  দিন শুরু হওয়ার সংবাদ ভালো কিংবা মন্দ যে ঘটনাই থাকুক না কেন সেই ঘটনা আপনাকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অনেক ঘটনাই থাকে যেগুলো আমাদের দিনটাকে বেশ ভালেভাবেই প্রভাবিত করে।   আর এই প্রভাবটা সারাটা দিন রয়ে যায়। এত কিছু দেখার পরও মাঝে মাঝে কেন জানি আরো একটু বেশী দেখতে মন চায়। দিনগুলো শুরু হয় নানা চাওয়া মধ্য দিয়ে তাই দিনের শুরুর বার্তা আমাদের জীবনের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা বাইরে কাজ করি, তারা অনেকটা রোবটের মত কোথায় যেন নির্দেশনা দেওয়া আছে সেই নির্দেশনার বাইরে যাওয়া কোন সুযোগ নেই। ঘুম থেকে ওঠা নিজেকে প্রস্তুত করা, সেই সাথে দৈনন্দিন কাজ শেষ করবার বাসনা নিয়ে বের হওয়া। সব সময় যে কাজ ভালো লাগে বিষয়টি তেমন নয় কিন্তু এর বাইরে যাবার সুযোগ ও নেই। জীবনের নানা রকমের ভু...

মানুষই শ্রেষ্ঠ

  মানুষ তার কর্মের মাধ্যমে কত বড় হতে পারে সেটা আমাদের ভাবনার বাইরে। সৃষ্টিকর্তা আমাদের উত্তম রুপে সৃষ্টি করেছেন। স্রস্টার প্রতিটি সৃস্টির উপর আমাদের নিয়ন্ত্রন করবার ক্ষমতা দিয়েছেন। মানুষ নিয়ন্ত্রন করতে পারে এটাই সত্যি।   আমাদের কর্মময় জীবনের নানা বাকে নানা রকমের অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই বিস্তর জীবনকালে মানুসের প্রশংসা না করে পারা যায়না।কার যোগ্যতা কতটুকু আর কোথায় তার যোগ্যতা সেটা আমরা মানুষ নামের অমানুষগুলো বুঝতে চাইনা । আর যদি চাইতাম তাহলে সৃষ্টিকর্তাকে যাকে উত্তম বলেছেন তাকে কখনো ছোট করে দেখতাম না। জীবনের এই বিস্তর সময় আমাদের কতশত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে। আমরা সব দেখি কিন্ত আবার কিছুই দেখিনা হয়তো দেখি কিন্তু বুঝতে পারিনা। আবার এমন ও হয় বুঝলে নিজের কর্তৃত্ব থাকবেনা ভেবে অন্ধ হয়ে বসে থাকি। আমাদের সমস্যা হয়ে গেছে আমরা লেবাস দেখে সব কিছু বিচার করি সেই সাথে অবস্থানটাও বিবেচনায় রাখি। আমার আর সেই মানুষের সাথে কত ব্যবধান চিন্তাই মাথায় ঘোরে আর একটা সময় সেটাই আমাদের কর্মে রুপান্তরিত হয়। আমরা নিজদেরেকে মানুষ বলে দাবি করি কিন্তু আসল মানুষ হয়ে উঠতে চেস্টা করিনা। মানুষকে আল্লাহতালা বেশকিছু জিনিস...

🕍হাতের লেখা🚭

  হাতের লেখাও দিন দিন আমার কাছে থেকে দুরে যাচ্ছে। সময় পাল্টেছে, হাতে কলমের পরিবর্তে কী-বোর্ড মাউস, টাচ প্যাড ও অন্যান্য ডিভাইস এসেছে। একারনেই হাতের লেখার তেমন কোন যত্নই আর করা হয়না।আরো নানাবিধ কারন তো আছেই। প্রতিটি কারনই একটার সাথে আরেকটার সম্পর্কিত। আমাদের বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেক কিছুরই পরিবর্তন হয়েছে। কিছু স্বভাব কিছু চিত্রকর্ম কাজের সুযোগ ও আমাদের দৈনন্দিন রুটিনে একটি বিশাল পার্থক্য নিয়ে এসেছে। এখন হাতের লেখা মানেই   দায়সারা কার্মকান্ড। কোন উপায় না   দে্যেখ লিখতে হয়। লেখার মানেই হচ্ছে কালি ও কলমের মেলবন্ধনের মাধ্যমে আমাদের কিছু দরকারী বিষয় লিপিবদ্ধ করা । এখন এই দরকারী জিনিসের মাঝে নানা রকমের ভাগ তৈরী হচ্ছে আমাদের মাঝে। কোথাও গেলে আগে যেখানে কলম খাতা খুজতে হতো । এখন সেখানে হাতে থাকা মোবাইল ফোন কিংবা টাচ প্যাড এর মাধ্যমেই সকল সমস্যার সমাধান খুজি। আর এ কারনেই কলম খাতা থেকে আমরা অনেক দুরে। সময়ের সাথে প্রযুক্তি এত সহজলভ্য হয়েছে যে, দীর্ঘসময়ের গুরুত্বপূর্ণ জিনিসও গুরুত্ব হারাচ্ছে। আমরা বুঝতেই পারিনি। ছোট বেলায় আমাদের লেখা ভালো করার প্রতিযোগীতা হতো। কার হাতের লেখা কত সুন্দর।...

জীবনের মধ্য দুপুর

  সময় ঘড়ি বলছে এখন জীবনের মধ্য দুপুর তাই সময়ের অনেক কাজ দ্রত সম্পাদন করতে হবে । সময় কখন চলে গেছে বুঝতে পারিনি। তাই তো সময়টাকেও বড্ড বেশী অসময় বলে মনে হয়। নিজের বাইরে অন্যদের দিকে তাকালে দেখতে পাই সবাই কেমন জানি অন্য একটা জগতের মধ্যে ঢুকে গেছে। শুধুই আমি একলা পড়ে আছি। সময়ের সাথে সঙ্গ দিত সবাই বিয়ে করে স্থায়ী বাসনার দিকে মনোনিবেশ করছে আর আমি বসে আছি। আমার মতো করে।

পরিচয়হীন জনপদ

  নিজ দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার বরাবরই ছিল সেই সাথে ঘুরে বেড়ানোটা আমার নেশার মতন । সময় পেলেই বা ফাক ফোকর পেলেই বেড়িয়ে পড়ি অজানাকে জানার জন্য শুধু যে অজানাকেই জানতে বের হই এমনটা নয় অনেক সময় জানা জিনিসটাকে আরো একটু ভালো করে দেখবার জন্যও বেড়িয়ে পড়ি । এবারে বেড়িয়ে পড়ার গল্প শুরু করা যাক । এ গল্পের ইতিহাস কয়েকশ বছরের পুরোনো বাংলা তখন মোগল ও ব্রিটিশ আমলের রাজা ও জমিদারদের দখলে ছিল । তখনকার রাজা / জমিদাররা দাবা এবং পাশা খেলায় অভ্যস্ত ছিল সেই পাশা খেলার অদ্ভুত এক নিয়ম তখন প্রচলিত ছিল । পাশার দানে তালুক / মৌজা রেখে খেলতে হতো । যিনি জিতে যেতেন তিনিই সেই জমির মালিক তিনি হতেন । আর এভাবেই রাজা / জমিদারদের রাজ্য বিস্তার চলতো একদিকে রাজ্য বিস্তার অন্যদিকে রাজ্য খোয়ানোর কাজটা খুব ভালো করেই চলতে থাকে আর এভাবেই কিছু কিছু মৌজা বা জমির মালিকানা অন্যদের হাতে চলে যেতে থাকে কখনো সেটা কয়েক একর থেকে শুরু করে কয়েকশ পর্যন্ত হতো । মোঘল আমল ও ব্রিটিশ আমল শেষ হলেও সেই সব অঞ্চল এর দায়দায়িত্ব থেকে যায় অধিকৃত রাজা / জমিদারদের হাতে । একসময় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে ব্রিটিশ ও এ দেশ থেকে চলে যায় জন্ম নেয় ...