Skip to main content

Posts

জীবনের মধ্য দুপুর

  সময় ঘড়ি বলছে এখন জীবনের মধ্য দুপুর তাই সময়ের অনেক কাজ দ্রত সম্পাদন করতে হবে । সময় কখন চলে গেছে বুঝতে পারিনি। তাই তো সময়টাকেও বড্ড বেশী অসময় বলে মনে হয়। নিজের বাইরে অন্যদের দিকে তাকালে দেখতে পাই সবাই কেমন জানি অন্য একটা জগতের মধ্যে ঢুকে গেছে। শুধুই আমি একলা পড়ে আছি। সময়ের সাথে সঙ্গ দিত সবাই বিয়ে করে স্থায়ী বাসনার দিকে মনোনিবেশ করছে আর আমি বসে আছি। আমার মতো করে।

পরিচয়হীন জনপদ

  নিজ দেশ সম্পর্কে জানার আগ্রহ আমার বরাবরই ছিল সেই সাথে ঘুরে বেড়ানোটা আমার নেশার মতন । সময় পেলেই বা ফাক ফোকর পেলেই বেড়িয়ে পড়ি অজানাকে জানার জন্য শুধু যে অজানাকেই জানতে বের হই এমনটা নয় অনেক সময় জানা জিনিসটাকে আরো একটু ভালো করে দেখবার জন্যও বেড়িয়ে পড়ি । এবারে বেড়িয়ে পড়ার গল্প শুরু করা যাক । এ গল্পের ইতিহাস কয়েকশ বছরের পুরোনো বাংলা তখন মোগল ও ব্রিটিশ আমলের রাজা ও জমিদারদের দখলে ছিল । তখনকার রাজা / জমিদাররা দাবা এবং পাশা খেলায় অভ্যস্ত ছিল সেই পাশা খেলার অদ্ভুত এক নিয়ম তখন প্রচলিত ছিল । পাশার দানে তালুক / মৌজা রেখে খেলতে হতো । যিনি জিতে যেতেন তিনিই সেই জমির মালিক তিনি হতেন । আর এভাবেই রাজা / জমিদারদের রাজ্য বিস্তার চলতো একদিকে রাজ্য বিস্তার অন্যদিকে রাজ্য খোয়ানোর কাজটা খুব ভালো করেই চলতে থাকে আর এভাবেই কিছু কিছু মৌজা বা জমির মালিকানা অন্যদের হাতে চলে যেতে থাকে কখনো সেটা কয়েক একর থেকে শুরু করে কয়েকশ পর্যন্ত হতো । মোঘল আমল ও ব্রিটিশ আমল শেষ হলেও সেই সব অঞ্চল এর দায়দায়িত্ব থেকে যায় অধিকৃত রাজা / জমিদারদের হাতে । একসময় জমিদারি প্রথা বিলুপ্ত হয়ে ব্রিটিশ ও এ দেশ থেকে চলে যায় জন্ম নেয় ...

লাশ

  একদিন কাক ডাকা ভোরে রাতের আড্ডা শেষ করে বাড়ি ফিরছিলাম। আমার বাসা নদী এলাকায় । বাড়ির চারদিকে নদী। সেই নদীতে এক সময় বড় বড় মাছ থাকলেও এখন আর তা নেই এ নিয়ে আসলে ভাবনার ও কিছু নেই, মানুষ যে হারে মাছ আহরোন করে ঠিক সে পরিমান মাছ এখন নেই। প্রায় দিনই গল্প আড্ডায় রাত কাটিয়ে বাসায় ফিরি সেই নদীর ধার দিয়ে তেমন কিছু কখনোই চোখে পড়েনি। এ নদীর সাথে যে আমার জন্মের সম্পর্ক । সেদিন আড্ডা শেষ করে যখন ফিরছিলাম তখন মাঝরাত এর শেষ দিকে হবে হয়তো এটা আমার ধারণা কারন মোবাইলে পর্যাপ্ত চার্জ না থাকায় হালকা চাদের আলোয় ঠান্ডা বাতাসের মধ্যে দিয়ে নদীর পাড় দিয়ে হেটে ফিরছিলাম। কোথাও তেমন কোন শব্দ নেই। সারারাত ঝিঝি পোকারা চিৎকার করে এখন ক্লান্ত সবাই বিশ্রাম করতে গেছে। শুধু বিশ্রামে নেই আমি আমি একমনে হাটছি, হঠাৎ দেখি সামনে একদল লোক তারা কি যেন নিয়ে হাটছে আমার সামনে দিয়ে। আমি স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিনা আসলে কি নিয়ে যাচ্ছে আমি দেখার চেষ্টা করতে লাগলাম। বেশ কয়েকটা লোক তাদের একেক জনের প্রস্তুতি একেক রকম। কেউ খুব আবেগে গদগদ হয়ে আচে কেউ সেই অস্পষ্ট বস্তুর ভারবহনে ক্লান্ত কিন্তু সে ভার অন্য কাউকে দেবার ইচ্ছে মতন ভাব আছে কিন্তু দ...

আনন্দ হারানোর সংশকা

  জানিনা এ স্বপ্ন যাত্রার শেষ কোথায় হবে । মাঝে মাঝেই তোদের সাথে ঘুরতে বের হই । দেশে হলে সমস্যা ছিলনা কেননা তোদের সাথে তো দেশে অনেক জায়গায় ই একসাথে ২৭ বসন্ত কাটিয়েছি তোদের সাথে বেশী ভালো মুহুর্ত আছে । ইদার্নিং তোদের সাথে কেন জানি দেশের বাইরে বাইরে ঘুরি এটা আমি দেখী । আমার ঘুমের ঘোর এত বেশী যে শুধুই তোদের দেখি । সময় পাল্টছে আমি্ও চেস্টা করছি সময়ের পালে হাওয়া দিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার জন্য । কিন্তু ঘুরে ফিরে তোদের সাথেই ছুটে চলি অবিরাম । এতে করে আনন্দে কাটে । ঘুম ভেঙ্গে যাবার পর ভয়ভয় লাগে এত আনন্দ যাদের কারণে তাদের কে কি ছেড়ে দেবার সময় হলো বুঝি । তোদের ও কি এমন হয় নাকি আমার একাই এই সমস্যা হচ্ছে । যদি বলিস তোদের নিয়ে বেশী ভাবি একারণে হয় তাহলে হতে পারে তবে এতটা ভাবনা ও মাথায় কাজ করেনা । তোদের নিয়ে স্বপ্নের কথা এর আগে বলেছি কিনা মনে নেই তবে এখন যখন ই দেখী তিন পাপী একসাথে ঘুরে বেড়াচ্ছি । নিজেদের সীমানা ছাড়িয়ে । একদিনের স্বপ্নের কথা মনে আছে যে আমরা তিনজন মিলে কোথায় যেন যাচ্ছি সেটা মনে হয় দেশের বাইরে সেখানে কোন একটা ঝামেলা হচ্ছিলো কিন্তু আমাদের সেই ঝামলোই ছিল আনন্দের খোড়াক । ভয়ে...

অবমুল্যায়িত হবার গল্প

 অবমুল্যায়িত হবার গল্প। সময়ের সাথে অনেক গল্প চলে আসে , অনেক মুহূর্ত চলে আসে যেগুলো আমরা কেউ ই চাই না তবে হয়ে যায়। কোন কোনবাবে আমরা গল্পের সাথে মিশে যাই । এর মিশে যাওয়ার কারণেই চলে আসে নানান রকমের চাওয়া পাওয়ার গল্প। আমাদের মুস্তিষ্ক এর সাথে এর বিশাল যোগসূত্রও আছে বলে আমি বিশ্বাস করি।আমার কথা কেউ মনে রাখবে না জেনেও নিজেকে অণ্যর মনের উপর জায়গা নিজে নিজে জায়গা দিরেত চাই। এর ফল স্বরুপ আমাদের দীর্ঘ সময় বোগ করতে হয়। আমাদের ছোট ছোট গল্পগুলা একদিন পূর্ণতা পাবে। সেই আশায় দিনগুনতে থাকা মানুষগুলা যখন কিছু পায়না তখন বিশ্বাসটা ভেঙ্গে যা্য়। আর বিশ্বাস এমন একটা জিনিসি যেটা ভেঙ্গ গেলে আর ফিরে পাওয়া যায়না। আমি বিশ্বাস কর িযাদরে সাথে আমরা একসুত্রে গাথা হিসেবে চলাফেরা করি তাদের কাছ থেকে এটা আশা করা অন্যায় কিছু বলে আমার মনে হয়না । এটা একটা স্বাভাবিক প্রক্রিওয়া বলেইে মনে করি। আমি হয়তো আমার লেখায় আমার পক্ষে হাজারোটা  যুক্তি পাবো এটা যেমন ঠিক তেমনি অনেক বেশীই কি প্রত্যাশা করে ফেলি?  আমার লেখা এবং বলায়

সংকটে সমাধান কোথায়?

  বারবার কেন জানি আমরা একটুৃ বেশীই মানুষদের আপন করে ফেলি। পাশের দেশের মানুষের সাথে আমাদের যে সম্পর্ক এটা ভালো থাক সবসময় এটা আমরা চাই তবে নিজের সব দিয়ে কেন? নিজের সার্বভৌম হমুমকির মুখে ফেলে কেন বার বার আমরাই দান করে যাই । সময়ের বেড়াজালে আমাদের অভ্যন্তারীন দন্দ্ব এবং এর সাথে অনেক ঘটনার কারণে যদি নিজেকে বারবার বিপদের দিকে ঠেলে দেই সেটা খুব বেমী ঝুকি বয়ে আনতে পারে । আমাদের সীমান্ত নীতি আমাদের রাস্ট্রীয় নীাতি সব কিছুতেই নিজেদের স্বার্থকে একটু ভেবে দেখা উচিত বলে আমার মনে হয়।রোহিঙ্গা সমস্যায় আমরা এমনিতে জর্জরিত। তার পরে আবার নতুন করে সেই দেশের সেনাদের এইদেশে আশ্রয় দেওয়া আমাদের বিপদকে আরো কঠিন করে তুলবে। আমাদের দুর্বল ও মানবিক পাররাস্ট্রনীতির কারণে আমাদের দেশে কয়েক লক্ষ রোহিঙ্গা আশ্রয় দেওয়া হয় কিন্তু প্রায় ৫ বছর এর উপরে হয়ে গেছে কোন রোহিঙ্গা কে সে দেশে পাঠানোর কোন ব্যবস্থা করা সম্ভব হয়নি । এবার যারা আসছেন তাদের কে নিয়ে সংকট আরো বাড়বে বলে মনে হয়।

আমি রাস্তা হারিয়েছি

  আমাই রাস্তা খুজে পাচ্ছি না। কেও একটু রাস্তা খুজে দিবেন । জিবনের অনেক দূর হাটার ইচ্ছে ছিল কিন্তু এখন সুধুই অন্ধকার দেখি । যে আমি নিজেকে অনেক মেধাবি আর প্ররিস্রমি ভাবছি সেই আমি নিজেকে হারিয়ে খুজে বেরাচ্চি । আমার আমি কে খুজে পাচ্ছি না । দিনের এত আলোর মাঝেও নিজেকে খুজে পাইনা । আমার নিজেকে খুজে পাওয়ার খুব বাসনা কেও কি আমাকে দেখছেন। যদি আমাকে খুজে দেন হয়ত আমার সপ্ন বেচে যাবে আমিও ঘুরে দারাতে পারবো।