Skip to main content

Posts

ঈদ আমাদের নতুন দিনের সন্ধান দেয়

  ঈদের মানে বুঝি কি? না। তা–ই নিয়ে এ নিবন্ধ। আল্লাহ যখন দুটি ঈদ দিলেন মুসলমানদের জন্য, তঁাদের অনেকেই ভাবলেন ৩০ দিন না খেয়ে ও সারা রাত ইবাদত করে একটি দিন আসবে যখন সকালে উঠে যেতে হবে ঈদের মাঠে। তারপর? ঈদ শেষ হলো। এতে খুশি কোথায়, আনন্দ কোথায়? এ তো শুধু আত্মনিবেদন, নিজের নিগ্রহ, শুধু দেওয়া, এখানে তো নেওয়ার কিছু নেই। এটাই বোঝার ভুল। দেওয়ার মধ্যেই আনন্দ, দেওয়ার মধ্যেই সুখ, দেওয়ার মধ্যেই ঈদের প্রকৃত সম্মান, সেটি আমরা বুঝতে পারিনি। ঈদের মাঠে অসংখ্য ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে থাকে সামান্য একটু খাবারের প্রত্যাশায়। আমরা নতুন কাপড়চোপড় পরে, আতর লাগিয়ে, চোখে সুরমা দিয়ে আলিঙ্গন করি দুটি ঈদকে। এখানে কতটুকু স্বার্থত্যাগ, কতটুকু জীবনের সাধের জলাঞ্জলি, তা কি ভেবে দেখেছি? এখানেই ঈদের আনন্দ লুকিয়ে আছে। পৃথিবীর বাইরে যা কিছু, সবই লুকোনো। আল্লাহ যা দেবেন আমাদের স্বার্থত্যাগের বিনিময়ে তার শত ভাগের এক ভাগও কোথাও লেখা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে তোমাকে এমন কিছু দেব যা তোমাদের কল্পনার অতীত। বিধর্মী লেখকেরা এটাকে হাস্যকর করে উপস্থাপন করার চেষ্টায় নিয়োজিত প্রথম দিন থেকেই। কখনো হুর পরি, কখনো গেলমানদের অন্যায় দৃষ্টিকটু উপমা স্থাপ...

সময়ের সাগরে আমাদের ঘুম

সময় অনেক কম তাই মনের কথা গুলো মনের ভিতরে লুকিয়ে না রেখে কাজ করা উচিত । আমরা কেও ই জানি না কয়দিন আমরা বাঁচবো আমাদের ইহজাগতিক কিছু লক্ষ্য আছে সেই সাথে আমরা সবাই পরপারেও ভালো থাকতে চাই । আমাদের পরিকল্পনা প্রতিনিয়ত   তৈরি হয় আবার কিছু মুহূর্ত পরে সেই    আশার বাধ   ভেঙ্গে যায় । চোরাবালির মত আমাদের স্বপ্নের অবস্থা । এ কারনেই সময়ের সাথে   সাথেই আমাদের স্বপ্নের যেমন জন্ম হয় ঠিক তেমনি   স্বপ্নগুলোর মৃত্যু ঘটে । কোন স্বপ্নই যত্ন পায় না । অথবা যত্ন দেবার মত চিন্তাই আমরা করিনা । এ জন্যই জীবনের শেষে আমাদের অর্জন কিছু টাকা পয়সা অর্থ বিত্তের সাথেই তুলনা করা হয় । অর্থ বিত্ত আমাদের একমাত্র অর্জন   হিসেবে জমা থাকে । অনেকে এই অর্থ বিত্ত না করতে পেরে নিজেকে তুচ্ছ মন এ করে থাকেন । নিজের কর্ম নিজের অবস্থানের উপর প্রতিদিন আফসোস করতে থাকেন । অথচ এই ছোট   জীবন পেয়েও কত মানুস আমাদের মনের ভিতর জায়গা করে নিয়েছে । নজরুল সুকান্ত লালন ...

এত ফেল তবুও আশা বেচে থাকে

কলেজ জীবন থেকেই আমাদের সবারই স্বপ্ন থাকে । শেষ করেই চাকরি করবো । একটা ভালো চাকরি ভালো সন্মানের চাকরি । কিন্তু পাস করার পর বছরের পর বছর চলে যায় কিন্তু চাকরি ধরা দেয়না । এত অভিমান করতে জানে যে সেটা অনেক সময় মানের চেয়েও ঢের বেশি । কিছু সময় তো সেটা সহ্য করার অবস্থাও রাখেনা । জীবন অ থেমে থাকে না তবে একটু কষ্টে কখনবা হতাশায়  ডুবে থাকে , তবুও জীবনের আশারা বেচে থাকে চরম হতাশার মাঝেও

যাচ্ছি কোথায় ?

সব কিছু কেমন জানি বদলে যাচ্ছে সেই সাথে বদলে যাচ্ছি আমরা সবাই । নিজের প্রয়োজনে কখনও অথবা অপ্রয়োজনে দু ভাবেই বদলে যাচ্ছি । হয়তো এমন একটা সময় এসে পড়বে যখন আর বদলনর কিছু থাকবেনা । ঠিক তখন কি করব ? এটা কি ভেবে দেখেছি । সবার ভাবান্য কি এক অদ্ভুত মিল খুজে পাওয়া যায় । সবাই নিজের মত করে ভাবে ।   দিন দিন সমাজের মানুষ গুল নিজেকে নিয়ে ভাবতে ভাবতে এখন এমন এক পর্যায় এসে পরেছে যে কোন কিছুই আর তাকে স্পর্শ করতে পারছেনা।   সবা ভাবনাই সে নিজেকে খুজে ফেরে কোথায় কিছু নেই    নিজের স্বার্থ ছাড়া । এভাবে আর কত যে পথ পারি দিতে হবে । কে জানে এই   প্রথিবি যে কত   মানুসের কাছ থেকে   সন্মান কেরে নিবে । কত যে অযোগ্য লোক দেরসন্মান দিবে কেও জানিনা । তবে এমন দিইন আসলে ভালো কেও যে থাকতে পারবোনা সেটা বুঝাই যাচ্ছে ।

কেন বইয়ের সাথে এত দুরুত্ত্ব ?

বর্তমান সমাজের আমরা বইয়ের   সাথে   এত   দুরুত্ত্ব     তৈরি করে ফেলেছি , যে অন্য কোণ বস্তুর সাথে এতো দুরুত্ত্ব    তৈরি হয়নি । বইকে দূরে   সরিয়ে দিয়ে যে বস্তুগুলো পরম মমতায় কাছে নিয়েছি , সেই বস্তু গুলো আমাদের   যেঁটুকু দিচ্চে এর চেয়ে অনেক বেশি পরিমানে কেড়ে নিচ্চে । আমরা বুঝতেই পারছিনা কোন জিনিস গুলো আমাদের কাছ থেকে দূরে চলে যাচ্ছে ।   দূরে চলে যাওয়া   বিষয়গুলো খুজতে হলে যে আমাদের ভাবতে হবে , সেটা ভাবতেও নারাজ । বই মানুষের মনের কথা বলে । বই মানুষের মেধা বিকাশের হাতিয়ার । একমাত্র বই পারে আমাদের   মননশীল হতে । কিন্তু যুগের বিবর্তনের ফলে এখন আমাদের হাতে আর বই নেই । বই না থাকার ফলে এই সময়ের মানুষগুলো আর ভাবতে চায়না , চিন্তা করতে চায়না , পড়তেও   চায়না । তাদের ভাবনায় আলোড়ন সৃষ্টি করে না , এর ফলে নুতুন কিছু মাথায় আসেনা । অথচ একটা সময় বই ছাড়া কিছু  ভাবা   যেত না । বর্তমানে অনেক কিছুই আমাদের কাছে আছে যেমন মোবাইল ফোন ল্যাপটপ এই গুলো ব্যবহার করেও পড়তে পারি । কিন্তু এই   সবের মাধ্যমে পড়লে চিন্তা কর...

Domain research

এক কিশোর স্যার এর ডায়েরি

আমি যখন কলেজ এর শিক্ষক ছিলাম সেই দিনের কথা মনে হচ্ছে এখন আমি সেই আগের জায়গায় আছি। কিন্তু একটু নিজেকে পালটিয়ে । যেটাতে বলা যায় একটা মুষ্টি বদ্ধ চিন্তাভাবনা নিয়ে । আসলে জীবনের এই পড়তে পড়তে যে কত রহস্য লুকিয়ে থাকে সেটা তো কেও বলতে পারে না । রহস্য আছে   বলেই তো   জীবন এতো মধুর ভালোবাসা ময় । দেখতে দেখতে অনেক গুলো দিন চলে গেছে ।   অনেক দিন হল দেখা হয় না । সময়ের স্রোতে কখন যে অনেক গুলো বছর কেটে গেছে জীবন থেকে কেও বুঝতেই পারিনি । আমি তখন সবে শিক্ষকতা শুরু করেছি ।   কতই বা বয়স হবে আমার খুব বেশি নয় অফিসে সবার চেয়ে ছোট । তবুও রাগে গর্জে সবাই কে মাতিয়ে রাখি । শিক্ষক দের কাছে আমার তেমন কোণ অভিযোগ ছিল না। অনেকই হয়তো বলতো কিন্তু সেটা আমি নিজে শুনি নাই । আসলে জীবন তো তখনই মধুর যখন কেও আপনার কথা বলবে কিন্তু আপনি জানবেন না । ছাত্রছাত্রী দের কাছে একটা সময়   পর্যন্ত আমি ছিলাম একটা সাধারন মানুষ । দিন যত গড়াতে লাগলো ততই কেমন জানি নিজেকে স্বরূপে ফিরে পেতে লাগলাম । খুব অল্পও সময়ে    একটা জায়গা দখল করে নিলাম । কেও ভাবতে পারেনি আমি নিজেও না । এতো বড় জায়গা আমি পাবো সামান্য ...