Skip to main content

Posts

Showing posts from August, 2018

মামুনুলরা হেরে বোঝালেন, তরুণেরাই এগিয়ে

মামুনুল ইসলামের নেতৃত্বে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচে ১-০ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। অভিজ্ঞদের হার ও খেলার ধরন প্রমাণ করে দিয়েছে, এশিয়াডে খেলা তরুণেরাই এখন এগিয়ে শ্রীলঙ্কা ম্যাচের আগেও বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনে একটা কথা শোনা গিয়েছে—‘এশিয়ান গেমস আর সাফের খেলা কিন্তু এক নয়।’ কথাটি ভুল নয়। ফেডারেশনের যুক্তি, তরুণেরা এশিয়াডে ভালো করলেও সাফে দাম দেওয়া উচিত অভিজ্ঞতার। সেই ‘অভিজ্ঞতার পূজারি’ যুক্তিবাদীরা এখন কী ভাবছে, সেটা কাল জানা যায়নি। কিন্তু ফুটবল দর্শকদের হয়তো বোঝা হয়ে গিয়েছে, আর যা–ই হোক কচিকাঁচার শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে হারা অভিজ্ঞদের চেয়ে এশিয়াড মাতানো তরুণেরাই ভালো। গতকাল ম্যাচ শেষে আকার-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ কোচ জেমি ডেও। এশিয়ান গেমসের চার ম্যাচে খেলা প্রায় একই একাদশকে সাফের দলের জন্য এগিয়েই রেখেছেন বাংলাদেশ কোচ, এ নিয়ে কোনো সন্দেহই নেই। আর গতকাল মামুনুলরা শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ১-০ গোলে হেরেও প্রমাণ করে দিয়েছেন, তাঁদের চেয়ে তরুণ মাহবুবুর রহমান সুফিল-সাদ উদ্দিনরা পারফরম্যান্সের বিচারে বর্তমানে এগিয়ে অনেক। অন্তত গতকাল মামুনুলের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গ্যালারিভ...

সিস্টেম এনালাইসিস ডিজাইন অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট

একটি অর্গানাইজেশন এর কমন ফাংশন গুলো আলোচনা করা হল অর্গানাইজেশনঃ অর্গানাইজেশন হল সামাজিক সুবিনস্থকরন একটি বাবস্থা যা কিছু লক্ষ্য, উদ্দেশ্য কে অর্জন   করার জন্য   সচেষ্ট থাকে   এর নিজস্ব   পারফরম্যান্স কে কন্ট্রোল এবং পরিবেশ থেকে স্বতন্ত হয়ে প্রথিস্থান এর চার পাশে এক অদৃশ্য বাধন করে   তোলে।   অর্গানাইজেশন ৩ প্রকার ঃ ১। সরকারি ২ বেসরকারি ৩   হাইব্রিড এর কমন   ফাংশন প্রতি অর্গানাইজেশন এর অনেক গুলো সেকশন থাকে । প্রতিটি সেকশন এর দায়িত্ব আলাদা ভাগ করা থাকে । শিক্ষা সেকশন এর   এর কমন ফাংশন দেওয়া হল ১। স্টুডেন্ট সেকশন ২। আক্যাউন্ট সেকশন ৩। পারচেস সেকশন ৪। স্টোর সেকশন   ৫। পার্সোনাল সেকশন ৬। মেডিক্যাল সেকশন ৭ হোস্টেল সেকশন ৮। মেইন-টেন্স সেকশন

পূর্বরাগের অসম্পূর্ণ খসড়া ২

‘আপনি যাবেন কতদূর?’ ‘আমি নিগণ স্টেশনে নেমে যাব।’ ‘তাহলে তো কথাই নেই। উনিও নিগণে নামবেন। ওঁকে নিয়ে যাবার জন্যে গরুর গাড়ি অপেক্ষা করবে ওখানে।’ আশস্ত হয়ে দুই যুবক ট্রেন থেকে নেমে গেল। ট্রেন এখন চলতে শুরু করেছে। প্ল্যাটফর্মের ওপর চলন্ত ট্রেনের কামরাগুলোর ছায়া চলতে চলতে একসময় মিলিয়ে গেল। প্ল্যাটফর্ম পেরোনোর পরও ট্রেন ধীর লয়ে চলছে। কিছু দূর এগিয়ে সামনে একটা ব্রিজ এল, পার হবার সময় কানে বাজল ধাতব গুমগুম আওয়াজ। কিন্তু ট্রেনের গতি যে একটুও বাড়ছে না—দুপাশে বর্ধমান শহরের ল্যাম্পপোস্টগুলোর ম্লান আলো টিমটিম করে জ্বলছে। দুপাশের রেল কোয়ার্টার খুব ধীরে ধীরে পেছনে পড়ে যাচ্ছে। আর একটুক্ষণের মধ্যেই দুপাশে রাঢ়ের বিস্তৃত মাঠ পেছনে সরে যেতে থাকবে ক্রমশ। প্রান্তরের মধ্যে অন্ধকার আস্তে আস্তে অভ্যস্ত চোখে ফিকে দেখাবে। দূরদূরান্তের গ্রামগুলো এর মধ্যেই মনে হচ্ছে সম্পূর্ণ সুষুপ্ত। নির্জনতা যেন শরীরী রূপ নিয়ে আলোজ্বলা কামরার ভেতরটিকেও অন্ধকারের বেশ দিয়ে ঢেকে দিয়েছে। যদিও, কামরার দুই দিকে দুটি পুরোনো আলো জ্বলছে, তাতে ভুতুড়েই মনে হচ্ছে সব কিছু। কামরার ল্যাজা-মুড়ো দুদিকেই মাথার ওপরে লেখা আছে ‘বারো...

পূর্বরাগের অসম্পূর্ণ খসড়া

মার্টিন কোম্পানির ন্যারোগেজ ছোট লাইনের ট্রেনটা বর্ধমান থেকে ছাড়ব ছাড়ব করছে। এর গন্তব্য কাটোয়া। শনিবারের শেষ ট্রেন রাত সাড়ে নয়টায় ছাড়ে। একমাত্র শনিবারেই আছে এই ট্রেনটা। অন্যান্য দিন সন্ধের ট্রেন সাড়ে আটটায় ছেড়ে যায়। আজও গিয়েছে। সেই ট্রেনটা আমি আজ পাইনি। পাবার চেষ্টাও করিনি। হন্তদন্ত হয়ে বরং মিনিট দশেক আগে একটা ইন্টারক্লাস কামরায় উঠে বসেছি। শীতকালের মাঝামাঝি, জাঁকিয়ে বসেছে জাড়কাল। কামরা প্রায় ফাঁকা। একজন, দুজন প্যাসেঞ্জার কামরার একোণে-সেকোণে মুখে চাদর বা ধুতির খুট জড়িয়ে বসে আছে। আমি জানি, এই শীতে এর বেশি প্যাসেঞ্জার হবেও না। যারা এখানে আছে তারা কেউ কোনো কথাও বলবে না, নিজের নিজের স্টেশনে ট্রেন থামলেই টুক করে নেমে যাবে। এত ঠান্ডায় কামরায় কামরায় চেকার-টেকারও তেমন আসে না। আশপাশে যাঁদের দেখছি, এরা কেউই টিকিট কেটেছে কিনা সন্দেহ। আমি একটা স্কুলে মাস্টারি করি, অকারণ ভদ্রতার খাতিরে টিকিট একটা কেটেছি। টিকিটহীন যাত্রীদের তরফ থেকে কেনা হলো ভেবে মনে মনে একটু অহংকারও এল বোধ হয়। আরে, ছাড়ছে না কেন ট্রেনটা? ইঞ্জিনটা ঘুরিয়ে সামনের দিকে লাগানো হয়েছে অনেকক্ষণ হলো। ফোঁস ফোঁস নিশ্বাস ফেলছে সেটা।...

চলে যাবো এটাই সত্যি

আমাদের চলে যেতে হবে এটাই সব চেয়ে সত্যি কারও আমরা যে যাই বলি না কেন । চলে যাওয়া কেও ঠেকাতে পারবনা জীবনের অরজনের মাঝে হয়তো কিছু দিন বেছে থাকা যায় । আর অরজন্ন আথাক্লে সেটাও সম্ভব না

আমার দেখা প্রকৃতি

মানুষের কোন গুনের কারনে মানুষ ভালো মানুষ হয় সেটা আমার ঠিক জানা নেই । কেন জানি না ? তার উত্তর দেওয়াটা আমার জন্য অনেক সহজ । আমি দেখতেই চাইনি বলে । আমি চেয়েছি   সব সময় সেরা হতে , আমি চেয়েছি সব সময় নিজেকে ভালো রাখতে কিন্তু পারিনি । সময়ের   বিবর্তন এ আমি হারিয়ে গেছি আমা থেকে ।   কেও খুজ করেনি আমাকে । সেই হারিয়ে যাওয়া আজও আমাকে ভাবায় কেন আমি হারিয়ে গেলাম । হারিয়ে গিয়ে আমি হেরে   গেছি সত্যি তবে একটু সান্ত্বনা পেয়েছি সেটা হল । আমি   তাদের কেও না বলেই তারা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে মনে হয়নি তাদের কেও একজন হারাল তাদের । আমি বুঝতে পারছি   তাদের সাথে থেকে আমি তাদের বিরক্ত ই করছি ভালো কিছু তো করতে পারিনি । যদি পারতাম থাওলে তো ওরা আমাকে ছেড়ে   চলে যেত না । আমি ধরে রাখতে পারিনি তাদের তাই ব্যার্থতাটা   আমারি । আমি   সব সময় চাইতাম যে সবার সাথে মিলে মিশে   থাকি পারিনি । প্রকৃতি এর স্বভাব আমি বুঝতে পারিনি । প্রকৃতি কি করতে পারে সেটা বুঝতেই সময় শেষ হয়ে এল । এখন   আর কেও আর আমার   কথা বিশ্বাস ই করে   না । আমি হেরেও জিতে যেতে চ...

পরিশ্রম এর বিকল্প কিছু নেই

একটি স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের কে যে পরিমান পরিশ্রম করতে হবে  তার চেয়ে কয়েক গুন কম  শ্রম আমরা দেই আমাদের মুল লক্ষই হল অল্প কাজ করে বেশি  বুলি আওরানো আমরা অইকাজতাই  ভালো পারি ।  আগে নিজেরদের উন্নিতির কথা ভাবতে হবে । আমরা সেটা করি না আগে অপরের সাথে নিজেকে তুলনা করি । আর এটাই আমাদের সব চেয়ে বড় সমস্যা আমরা মান্তেই  চাইনা যে আমাদের ও  স্বপ্ন বাস্তবায়ন করা সম্ভব যদি পরিশ্রম করি

আমাদের চিন্তা বদলাতে হবে

কিছু সময় প্রশ্নের উত্তর পাওয়া জায় না । / সময় ও নেই প্রশ্ন করার আর অপেক্ষা খুব খারাপ   জিনিস তাই আমরা উত্তর এর জন্য বসে থাকি না । আমাদের ভাবনাতে যে   জিনিস গুলো   আছে   সেই দিয়েই বিচার করে থাকি । আমাদের কাছে প্রতিদিন হাজার   প্রশ্ন আসে আমরা উত্তর সেই হাতে গোনা কিছু   কথা বার বার বলতে থাকি । আমাদের উত্তর শুনবার সময় নেই । অন্নদিকে নিজের ভবি৯সদ নিয়ে এত   চিন্তা করি যে মুল কাজ করার সময় ই   পাই না ।   আমার নিজের অভিজ্ঞতার কথা যদি বলি   তাহলে ও সেই একই অবস্তা । কারও কথা শেষ না হতেই উত্তর দিয়ে দেই   চিন্তা করতে হবে সেটা   মাথায় নেই   আছে   শুধু   নিজের মনের কিছু গোঁড়ামি । নিজেকে বড় মানুষ বানাতে হলে নিজের জ্ঞানের যেমন দরকার আছে । তেমনি সেই জ্ঞান দিয়ে কাজ করারও দরকার আছে কিন্তু কি করছি নিজে তো জানতে চাচ্চিনা   ঠিক অপরকেও জানাতে   পারছিনা । ক্ষতি আমাদের নিজের ক্যারিয়ার এ অন্নদিকে যারা আমাদের উপর নির্ভর করে বাচে তাদের কেও সমৃদ্ধি করতে পারছিনা । যারা আমরা শিক্ষকতা পেশায়    যুক্ত আছি তারা   মন ...