Skip to main content

Posts

নিজের প্রতিবিম্বের খুজে

  অনেক দিন নিজের চোখে নিজেকে দেখা হয়না ।আয়নায় মাঝে মাঝে নিজের প্রতিবিম্ব দেখা হয়। কিন্তু অই প্রতিবিম্ব কি নিজের সবটা প্রকাশ করতে পারে ?   দিনের বেশি ভাগ সময় ই অন্যের চোখে নিজেকে দেখা হয় ।   তাই নিজের প্রতি যত্নের চেয়ে অযত্ন টাই   বেশি করে ফেলেছি । নিজেকে অন্যর আয়নায় দেখতে গিয়ে নিজের অবস্থান কর্ম সবকিছুই ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতভ হয়েছে । একটা সময় সব মিলিয়ে গেছে । নিজেকে নিয়ে ভাবা হয়না বহু দিন। নিজের কোন কিছুই আজ চোখে পরে না । এত আলো অথছ নিজের কথা মনে হলে কোথায় থেকে জেন অন্ধকার নেমে আসে। নিজেকে খুজে পাইনা , খুতে গিয়েও অনেক কষ্টে নিজের অস্তিত্ব কে   আবিষ্কার করতে পারিনি , জ্ঞানে বুদ্ধিতে হয় দেহ রুগন্ন হয়ে গেছে বলেই   হয়তো খুজে পাচ্ছি না । অন্যর আয়নায় নয় এবার নিজের আয়নায় নিজেকে দেখার বাসনা , যত বারই খুজতে গিয়েছি, তত বারই নিজের চেয়ে অন্যর   কেই বেশি দেখেছি । নিজের আয়নায় অন্যর প্রতিবিম্ব দেখে জ্বলেছি কেদেছি, হিংসার   তীব্র   জ্বালায় বার বার বুক   ভেঙ্গেছে, তবুও নিজের আয়নায় নিজের প্রতিবিম্ব তৈরি করতে পারিনি । নিজেকে দেখার   চেষ্টা করেও দেখা হ...

ভাবনায় পাগল হলে কি বেচে থাকা যায়

    ভাবনায় পাগল না হলে জীবনে বোধের সব সব   কিছুই অপূর্ণ র ‍ ্যে যায় । জীবনে আমার আমি দেখতে পাই আর কেও দেখতে পাক আর না পাক । যদি আমার উপ্লদ্ধি আমার সাথে প্রতারনা করে তাহলে বুঝতে হবে আমি আমার থেকে দূরে চলে যাচ্ছি । একটু   একটু   করে নিজের থেকে অনেক দূরে । যদি আপনি পাগল না হন জীবন কে সুক্ষভাবে দেখতে পারবেন না । আর একটা কথা সবাই পাগল হতেও পারেনা । স্বাধীন পাগল জার শুধুই বিশাল ভাবনার জগত আছে । যেখানে আর কেও যেতে পারবেনা । ভাবনার   জগত ত আকাশের চেয়েও অনেক বড় । আমাদের   দৃশ্যম্যান আকাশ কত বড় ?? যত টুকু দেখতে পাই এর বাইরে দেখতে চাইলেই কিন্তু ভাবনায় আস্তে হয় । যদি আস্তেই হয় তবে পরে কেন ? পরের জন্য একটু ভাবনা ভাবুন ত একটু একা। নিজের মনকে স্থির করে একটু কল্পনা করুন ত কোথায় যাচ্ছেন। এর শেষ গন্তব্য কোথায় উত্তর পাচ্ছেন ? পাবেন না ত একটু মুচকি হাসিই বলে দেয় আপনি এখনও সেই ভাবনা ভাব্বার জন্য একদম ই   প্রস্তুত নন। ...

নিত্য নতুন তরতাজা জ্ঞান

 হেঁটেছি অনেক দূর আরও অনেক দূর যাবার ইচ্ছে আছে । সামনের দিনে কত  টুকু  যেতে পারব জানিনা তবে চলতে পথের বাকে বাকে জে গল্প আছে সেটা লিখে যাবার ইচ্ছে আছে ।  মনের কথা মুখে আনার সহজ কাজ নয় এটা বুঝে গেছি । বয়স বাড়ার সাথে সাথে প্রকৃতি অনেক কিছু শিক্ষা দেয় আমাদের ভাবায় আবার সেই ভাবনার পালে হাওয়া দিয়ে যায়। জিবনের অদ্ভুত কিছু জিনিস আছে জে গুলো একদিকে  যেমন আপনাকে এ তরফা জিবনের  গল্প দিবে তেমনি আবার সেই খারাপ অবস্থা থেকে এমন কিছু ভালো  মুহূর্ত দিবে যেটা ভালো অবস্থা থেকে কোন ভাবেই   চিন্তা করা হত না । প্রতিটি মানুসের চিন্তার এত সুন্দর জে সেটা মানুষ নিজে অই  অবস্থায় না গেলে উপভোগ করা যায়না । সময় অনেক কঠিন যেমন যায় তেমনি সেই  কঠিন রাস্থা কিন্তু সহজ হয়ে পড়ে । সময়ের সাথে সাথে আমাদের অনেক কিছু  দেখা হয় । সেখা হয় কিন্তু সবচেয়ে পরিতাপের বিষয় হল জে জিনিস গুলো শিখি সে গুলো সামনে এসে পড়লে সহজ  মনে  হয় তাই কষ্টের  কথা মনে হয় । 

সুস্থ চিন্তার খোজে

দিনের   গভীরে এ মাঝে মাঝে আলোর বড্ড অভাব বোধ করি। চারিদিকে এত আলো অথচ এই আলো আমাকে আলোকিত করতে পারেনা আমার ভাবনায় দোলা দেয়না না, অথচ সেই আমিই আছি। একটা সময় সব কিছুতেই কেমন জানি স্বাভাবিক অনুভুতি আমারও হত । রাতের আধারে আলোর মতন।নিজেকে খুজে পেতাম। খুব ত আগের কথা নয় , তবুও সবকিছুই এখন সৃতি সৃতি যে মানুষকে কাদায়,হাসায় আবার ভাবনায় বিমোহিত করে তোলে সেই আলোর বড্ড অভাব বোধ করি এখন। খাদ্য অভাবে যেমন একটি সচল সজিব দেহ, নির্জীব হয়ে যায় ঠিক তেমনি সুস্থ ভাবনাবিহিন একজন মানুষ একটা নিদিষ্ট সময় পর ভাবনার দিকে থেকে শুকিয়ে যায়। আস্তে আস্তে হতাশার জগত তাকে গ্রাস করে ফেলে । তখন পিছনে ফেলে আশা হাজারো সুখের   সৃতিগুলো আর নিজেকে আলোকিত করতে পারেনা । আমাকে আমার ভাবনাকে যতই জাগিয়ে তুলতে চায়, ঠিক তার চেয়েও বেশি গতিতে কোথায় জেন দুবিয়ে দিয়ে যায়। অতিতের ভালো সৃতি চেষ্টা করে আমাকে সজিব রাখতে কিন্তু আমি সৃতির বেগের সাথে শুকিয়ে যায়। একটা সময় আসে জখন নিজেকে আর খুজেই পাইনা । দিনে দিনে ভাবনায় শুকিয়ে গেছি তাই অল্পেতেই বুড়িয়ে গেছি । ডুবে   যায় হতাশার সাগরে ।  

ভাবনায় শুকিয়ে গেছি, তাইতো হতাশা আমার নিত্য সঙ্গি

আমাকে কেও এসে  তৈরি করে দেবে সেই কথা ভাবিনি  কখনও কিন্তু তাই বলে আশা কিন্তু একেবারে ছেড়ে দিতে পারিনি । আর পারিনি বলেই কষ্ট আমাকে ছুতে পেরেছে । আমি বার বার কষ্ট কে ধুরে ধেলে সাম্নের দিকে আসতে চেয়েছি । কিন্তু অই ত ভালো থাকার আশা টুকু আমাকে  বার বার ফিরিয়ে নিয়ে গেছে । আমি খুব কাছ থেকে দেখেছি আমার কষ্টকে সেই সাথে আমার সামনের মনের সেই ক্ষুদ্র বাসনা কে । দেখেছি ভাবছি কিন্তু সেই ভাবনা থেকে নিজেকে তৈরি করতে পারিনি । পারব কেমন করে ? আমাকে যে অই আশা টুকু ই আমাকে বার বার পিছনে ফিরিয়ে নেয়। আমি আমার মধ্য থেকে বের হতে চাই । নিজের কাজের মাধ্যমে  মানুসের মন কে জয় করতে চাই , একটা সময় কিছু করতে পারব সেই আশাটা অনেক শক্ত  ভাবে মনের ভিতর ছিল । ভেবেছিলাম বয়স হবার সাথে  সাথে নিজের স্বপ্ন পরিপক্ক হবে । নিজের স্বপ্ন কে নিয়ে বাচতে পারব। আমি যে পরিমান স্বপ্ন দেখেছি তার চেয়ে খুব বেশি করে মানুসের মনে জায়গা করে নিতে পারব। সবই যে আমার অলিক কল্পনা ছিল সেটা অই সময় বুজতে পারিনি এখন বুঝতে পারি । আমার সেই সপ্নের কথা, মনের বাসনা নিজেকে প্রস্তুত করার মানসিকতা আজ এত বছর পর নেই বললেই চলে । তার মা...

কি হচ্ছে বুঝতে পারিনা

  যত বার ই   নতুন কিছু শুরু   করেছি অনেক আশা নিয়ে শুরু করেছি । আবার নতুন   জিনিসটি পুরাতন হবার সাথে সাথে আগ্রহ কমে গেছে । ঠিক হিসেব করলে কোন কিছুরই   হিসেব নেই । কি করেছি আর কি কি করতে চেয়েছিলাম । একটা সময়   নিজেকেই আবিষ্কার করতে পারতাম না । দিন যত যাচ্ছে মনোযোগ এর সাথে মন সংযোগ এর একটা ঘারতি দেখা   যায় । অনেক সময় বুঝতে পারি তবে বুঝতে পেরেও কোন লাভ নেই । কারন বুঝতে পারার সাথে ভুলতে পারার যে   প্রতিযোগিতা সেখানে বরাবরই ভুলে যাওয়াই জিতে গেছে ।তাই হয়তো যেটা শুরু করতে গিয়ে অনেক কিছু ভেবেছিলাম ঠিক তার উল্টো টাই পেয়েছি ।মনের সাথে ভাবনার মিল না করতে পারার জন্যই হয়তো সবাই নিজের থেকে অনেক দূরে থাকি । মাথায় অনেক কথা খেলা করে বলতে ইচ্ছে করে কিন্তু বলবার মত ত কেও নেই । আর জদি বলেন লিখে রাখতে সেটা করা সম্ভব নয় কেন? এর উত্তর ভুলে যাবার ক্ষমতা অনেক বেশি   তাই। সামনে নতুন মিশন কিন্তু এইবার তেমন কিছুই অনুভুতি   হচ্ছে না । এর উত্তর নেই আমার কাছে । হয়তো বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনুভুতি থাকতে নেই বা থাকেনা । এর আগের কাজ বা সময় নিয়ে অনেক আশা থাকত এইবার আশা ছাড়া ন...

ঈদ আমাদের নতুন দিনের সন্ধান দেয়

  ঈদের মানে বুঝি কি? না। তা–ই নিয়ে এ নিবন্ধ। আল্লাহ যখন দুটি ঈদ দিলেন মুসলমানদের জন্য, তঁাদের অনেকেই ভাবলেন ৩০ দিন না খেয়ে ও সারা রাত ইবাদত করে একটি দিন আসবে যখন সকালে উঠে যেতে হবে ঈদের মাঠে। তারপর? ঈদ শেষ হলো। এতে খুশি কোথায়, আনন্দ কোথায়? এ তো শুধু আত্মনিবেদন, নিজের নিগ্রহ, শুধু দেওয়া, এখানে তো নেওয়ার কিছু নেই। এটাই বোঝার ভুল। দেওয়ার মধ্যেই আনন্দ, দেওয়ার মধ্যেই সুখ, দেওয়ার মধ্যেই ঈদের প্রকৃত সম্মান, সেটি আমরা বুঝতে পারিনি। ঈদের মাঠে অসংখ্য ভিক্ষুক দাঁড়িয়ে থাকে সামান্য একটু খাবারের প্রত্যাশায়। আমরা নতুন কাপড়চোপড় পরে, আতর লাগিয়ে, চোখে সুরমা দিয়ে আলিঙ্গন করি দুটি ঈদকে। এখানে কতটুকু স্বার্থত্যাগ, কতটুকু জীবনের সাধের জলাঞ্জলি, তা কি ভেবে দেখেছি? এখানেই ঈদের আনন্দ লুকিয়ে আছে। পৃথিবীর বাইরে যা কিছু, সবই লুকোনো। আল্লাহ যা দেবেন আমাদের স্বার্থত্যাগের বিনিময়ে তার শত ভাগের এক ভাগও কোথাও লেখা হয়নি। শুধু বলা হয়েছে তোমাকে এমন কিছু দেব যা তোমাদের কল্পনার অতীত। বিধর্মী লেখকেরা এটাকে হাস্যকর করে উপস্থাপন করার চেষ্টায় নিয়োজিত প্রথম দিন থেকেই। কখনো হুর পরি, কখনো গেলমানদের অন্যায় দৃষ্টিকটু উপমা স্থাপ...