Skip to main content

Posts

Showing posts from June, 2018

Android Tutorial

Android is an open source and Linux-based operating system for mobile devices such as smartphones and tablet computers. Android was developed by the Open Handset Alliance, led by Google, and other companies. This tutorial will teach you basic Android programming and will also take you through some advance concepts related to Android application development. This tutorial has been prepared for the beginners to help them understand basic Android programming. After completing this tutorial you will find yourself at a moderate level of expertise in Android programming from where you can take yourself to next levels. Prerequisites Android programming is based on Java programming language so if you have basic understanding on Java programming then it will be a fun to learn Android application development. Android is an open source and Linux-based  for mobile devices such as smartphones and tablet computers. Android was developed by the Open Handset Alliance , led by ...

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায় প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক। ১৮৯৪ খ্রি: ১২ই সেপ্টেম্বর কাঁচড়াপাড়ার সমীপবর্তী ঘোষপাড়া-মুরাতিপুর গ্রামে মাতুলালয়ে জন্মগ্রহণ করেন। পিতার নাম মহানন্দ বন্দ্যোপাধ্যায়, মাতার নাম মৃনালিনী দেবী। তাঁদের আদি নিবাস ছিল যশোর জেলার (বর্তমান চব্বিশ পরগনা জেলার) অনর্ভুক্ত বনগ্রাম মহকুমায় অবস্থিত ইচ্ছামতী নদী তীরস্থ ব্যারাকপুর গ্রামে। তাঁর পিতা কথকতা ও পৌরহিত্য করতেন। ফলে বাল্য ও কৈশোর কাটে দারিদ্র্যে, অভাব ও অনটনের মধ্যে। বিভূতিভূষণ দুই ভাই এবং তিন বনের মধ্যে সবার বড় ছিলেন।    তাঁর শিক্ষা শুরু হয় গৃহে পিতার নিকটে। শৈশব থেকেই তিনি শিক্ষা জীবনে তাঁর মেধার পরিচয় দেন। ম্যাট্রিকুলেশন পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে পাশ করেন ১৯১৪ খ্রি: বনগ্রামের হাইস্কুল থেকে। কলকাতার রিপন কলেজ থেকে ১৯১৬ খ্রি: আই. এ. ও ১৯১৮ খ্রি: ডিস্টিংশন নিয়ে বি.এ. পাশ করেন।    উচ্চতর পড়াশোনার জন্য এম.এ. ও ল'ক্লাসে ভর্তি হন। কিন্তু সংসারের প্রবল চাপে পড়া বন্ধ রেখে চাকুরী নিতে বাধ্য হন। কর্মজীবন শুরু করেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকতার চাকুরিতে। প্রথমে হুগলী জেলার জঙ্গীপাড়া গ্রামে স্কুলে। পরে সোনারপুর...

point table world cup 18

তিতে এখন বুঝিয়ে দিলেন ব্রাজিল ফেবারিট

ব্রাজিল কোচ তিতে। ছবি: এএফপি সার্বিয়ার বিপক্ষে জয়ের পর ব্রাজিলকে ফেবারিট হিসেবে দেখছেন দলটির কোচ তিতে বিশ্বকাপ মানেই ব্রাজিল ফেবারিট—এ এক অলিখিত নিয়ম। কিন্তু এবার ব্রাজিলের প্রথম দুই ম্যাচের পর কথাটা কেউ শুনেছেন? বিশেষ করে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচের পর। সংবাদ সম্মেলনে ব্রাজিল কোচ তিতের মুখ ফুটেও কথা বেরোয়নি। পাছে, যদি হাঁটতে শুরু করতেই পা পিছলে যায় এই ভয়ে? কথাটা এখন ব্রাজিল সমর্থকেরা বলতেই পারেন। কারণ, নকআউট পর্বে ওঠার পর ব্রাজিলকে দেখছেন ফেবারিট হিসেবে দেখছেন তিতে। তাও কথাটা সরাসরি বলেননি। ইঙ্গিতে বুঝিয়েছেন। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের ঘিরে এমনিতেই প্রত্যাশার পারদ সব সময় ঊর্ধ্বমুখী থাকে। তিতে তা জানেন। আর জানেন বলেই প্রথম দুই ম্যাচে তাঁর শিষ্যরা সমর্থকদের প্রত্যাশার প্রতিদান সেভাবে মেটাতে না পারায় ‘ফেবারিট তত্ত্ব’ নিয়ে কিছু বলেননি। কিন্তু সার্বিয়ার বিপক্ষে নেইমার-কুতিনহোরা সৌরভ ছড়ানোর পর ব্রাজিল কোচ মুখ খুললেন, ‘আমরা প্রত্যাশাকে স্বাভাবিক ভাবেই নেই। তবে এই দলটা সবার প্রত্যাশাকে অনেক উঁচুতে স্থাপন করেছে। কারণ বাছাইপর্ব ও প্রীতি ম্যাচে তাঁরা খুব ভ...

Positive

Positive Thinking is power

নিজেকে ভিন্ন ভাবে উপাস্থাপন

„ আমাদের দিনের পর দিন চলে যায় কিন্ত   আমারদের   লক্ষ্য আমাদের হাতে এসে ধরা দেয় না „   আর এর এই জন্যই আমরা সব চেয়ে বেশি ভুগি „ আমাদের অর্জন এর পিপাসা   এত বেশি যে যেকোনো মূল্য   সেটা পেতে চাই , „ কিন্তু বেশি সময় সেটা পাইনা

আমার স্বপ্ন

আমাদের দিনের পর দিন চলে যায় কিন্ত   আমারদের   লক্ষ্য আমাদের হাতে এসে ধরা দেয় না । এর এই জন্যই আমরা সব চেয়ে বেশি ভুগি . আমাদের অর্জন এর পিপাসা   এত বেশি যে যেকোনো মূল্য   সেটা পেতে চাই , কিন্তু এর জন্য আমাদের চিন্তা ধারা ঠিক আগের মতই থেকে যায় । https://youtu.be/r5ndDABsOM0 আগে সবাই একটা    সময়ের অপেক্ষা করত , কিন্তু   দিন দিন মানুষ সেই সময় কে আরও    কম করে চায় .কত সহজ এ আমরা বড় বড় কাজ গুলো করতে পারি এটাই এখনকার আমাদের ভাবনা । কিন্তু সব ভাবনার পিছনে সব চেয়ে যেটা গুরুত্বপূর্ণ আমাদের ভিন্ন চিন্তা সেটা করি না   তাই তো আমরা সফলতা থেকে অনেক দূরে পরে থাকি । আমাদের চিন্তা করতে হবে এই জিনিসটাই ভাবি না । শুধু জব চাই ভালো চাকরি চাই ভাবি না সেই ভালো চাকরি আমাকে কি দেবে আমাদের সফলতা যদি   চাকরিরই হয় তাহলে   তো যত দিন কাজ করতে পারব তত দিন সফল    । মানুষ তার জীবন এর সব সময় কাজ করতে পারবে না   তাই যদি ভাবি যে জব পেলেই আমি সফল তাহলে আমার মনে হয় ভুল ভাবছি কারন এই জব একদিন আমাকে ছেড়ে   দিতে হবে । আমার কাছে যেটা মনে ...

আই হসপিটাল

আই হসপিটাল খোন্দকার আশরাফ হোসেন আমার চোখে কী হয়েছে ডাক্তার, কেন আজকাল মানুষের মুখ দেখে বুঝি না কে পথিক, কে পথের ঠিকাদার কে নাবিক, কে জলের ঢেউ গুণে পয়সা তোলে কার গোয়ালে কে দেয় ধুয়া, কার সাজানো বাগানে কে তোলে অনিন্দ্য হর্ম্য, কোন্ নেপোয় মেরে যায় কোন্ কালাচাঁদের দই সন্ধ্যা হলে মশাদের পুচ্ছদেশ জোনাক পোকার মতো জ্বলে দেখি বুড়ি চাঁদ বুড়িগঙ্গার ঘোলা জলে হাত ধোয় জীবনানন্দ ট্রামের রাসত্দা ছেড়ে নৰত্রের আলোয়ান গায়ে হেঁটে পার হচ্ছেন ফার্মগেট, ঠাঁটারিবাজার থেকে সোয়ারিঘাট তাঁর পায়ে-পায়ে হাঁটে তৃষ্ণার কুকুর তাঁর নাক নেই মুখ নেই চোখ দুটো খেয়ে গেছে কাক। আমার কী হয়েছে ডাক্তার, আজকাল মানুষের মুখে সুখ না কি দুঃখ খেলা করে, কিছুতে বুঝি না, নগরীর ফুটপাথে বাজার বসেছে, পুতুলের মতো রঙিন জামা কিনছে ছাতা-হাতে অফিসফেরত মা, চপ্পলের দরদামে ব্যসত্দ কোনো বৃদ্ধ, একটি কিশোর চেয়ে দেখছে ফুটনত্দ কড়াইতে জিলাপির প্যাঁচগুলো ফুলছে, ফুলছে মাছবাজারে থলি হাতে ঘুরছে রসিক, চালের আড়তে মূল্যতালিকা পড়ে আকাশের দিকে দু'হাত তুলে কী যেন খোঁজে এক আধাপাকা বুড়ো_ এরা কি সবাই সুখী? সুখ কারে কয়? আবছা হয়ে আসে সব,...

হলুদ যুবতী

ওমর আলী শহরের তিন তলা ভবনের নিচের তলার খোলা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে রাসত্দা দেখছিল এক যুবতী সর্ষে ফুলের রঙ অবাক করে দিল সারা শরীর খাঁটি সোনা আর অপেৰা রাখে না বলার যেন সোনার মূর্তি দাঁড়িয়ে আছে পথে দেখি চলার সময় হলুদ পাকি পথিকের মন কেড়ে নিল সে এমন হলুদ বানানো গল্প নয় এক তিলও হয়তো মিষ্টতার কোকিলের মতো স্বরও গলার সেই মেয়ের নাম জোৎস্না ছাড়া আর কিছু মানায় না সেই পথ নাচে সেই হলুদ যুবতী হেঁটে যায় এত সৌন্দর্য রাখে না সেই হলুদ পাখি ডানায় না সর্ষে ফুল খাঁটি সোনার মতো হলুদ রং পায় সেই হলুদ মেয়ে আয়না ছাড়া কাউকে জানায় না খাঁটি সোনা সর্ষে ফুল তাকে ভালো বাসতে মন চায়...

কম্পিউটার পণ্যের দর বাড়তে পারে

২০১৬-১৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশের ওপর আমদানি শুল্ক ২ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। এর ফলে কম্পিউটার ও কম্পিউটার যন্ত্রাংশের দাম বাড়বে বলে জানিয়েছেন একাধিক বিক্রেতা৷ এই প্রভাব সরাসরি গিয়ে পড়বে ক্রেতার ওপর। বৃহস্পতিবার রাজধানীর একাধিক বাজার ঘুরে পাওয়া কম্পিউটার পণ্যের দাম নিচে দেওয়া হলো। প্রসেসর: কোর আইথ্রি ৩.১০ গি.হা. ৮,৩০০; কোর আইফাইভ ৩.২০ গি.হা. ১৬,০০০; ইন্টেল কোর আইথ্রি ৩.৩০ গি.হা. ৯,৫০০ ও কোর আই সেভেন ৩.৪০ গি.হা. ২৫,৫০০ টাকা। মাদারবোর্ড: এসরক এমডি ৯৬০জিএম-ভিজিএস ৩ ৪,২০০; গি.বা. জিএ৭৮এলটি-এসটুপি এএমডি ৪,৬০০ ও ফক্সকন এইচ৬১ এমএক্সই-কে ৩,৮০০ টাকা। হার্ডডিস্ক ড্রাইভ: ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৪,৫০০; ট্রানসেন্ড ৫০০ গি.বা. ৪,৬০০ ও স্যামসাং ৩২০ গি.বা. ৭,০০০ টাকা। বহনযোগ্য হার্ডডিস্ক: ট্রানসেন্ড ৫০০ গি.বা. ৫,৩০০; ৭৫০ গি.বা. ৬,২০০ ও ১ টে.বা. ৭,৪০০; ওয়েস্টার্ন ডিজিটাল ৫০০ গি.বা. ৫,৫০০ ও ১ টে.বা. ৭,৪০০; এডেটা ৫০০ গি.বা. ৫,০০০ ও ১ টে.বা. ৭,২০০ টাকা। র্যাম: ডিডিআর৩: অ্যাপাসার ২ গি.বা. ১,৭০০; এডেটা ৪ গি.বা. ৩,০০০; ট্রানসেন্ড ৪ গি.বা. ৩,৩...

জীবনের চাওয়া

চাওয়া গুলো অনেক বেখাপা হয়ে গেছে । মন ও স্বপ্ন দেখা বন্ধ করে দিয়েছে কিছু আর সে দেখতে পারে না । সময় তাকে এমন ভাবে আঘাত করেছে যে কিছু দেখার মত মনবল তাহার নাই । জীবন সংগ্রাম এর অনেক সৈনিক আছে যারা সামনে আর কত দিন লড়াই করতে হবে সেটাই জানে না । তাই অনেক সৈনিক ই মনবল হারিয়ে নিঃস্ব কোথায় সাফল্য আর সেটা কত দিন পর ই বা পাওয়া যাবে । আদও সাফল্য বলে কি কিছু আছে । যদি থাকে সেটা কত দূর । আর কত দূর গেলে পাওয়া যাবে সেই সাফল্য জীবনের সৈনিক গুলা ত নিরাশার ভুগছে । এই নিরাশার মাঝে কত দিন সংগ্রাম করে যাবে । অনেক ভেবছি আজকের দিনের জন্য কোনভাবেই   কেওই প্রস্তুত   ছিলাম না তবে আজ যেটা ঘটেছে সেটা নিজের লাইফ এর সাথে খারাপ একটা কাজ ই হয়ছে।জানি এর জন্য কাওকে দোষ দেবার পাত্র তুই নস । তারপরও বলতে হয় । কাজটা   ভাল হয় নি ।এত দিনের বন্ধুত্ব এর মাঝে এত সহজ এ এত কিছু ঘটবে ভাবতে পারিনি। জীবন এর বাকে বাকে যে গল্প থাকে সেটার আরও একটি প্রমান পেলাম। আজকের আগেও তর সাথে দুষ্টামি করেছি অনেক , কোনদিন ভাবত...