Skip to main content

সুসংবাদের অপেক্ষা

                                                         সুসংবাদের অপেক্ষা 

দিন শুরু হওয়ার সংবাদ ভালো কিংবা মন্দ যে ঘটনাই থাকুক না কেন সেই ঘটনা আপনাকে কতটা প্রভাবিত করতে পারে সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের অনেক ঘটনাই থাকে যেগুলো আমাদের দিনটাকে বেশ ভালেভাবেই প্রভাবিত করে।  আর এই প্রভাবটা সারাটা দিন রয়ে যায়। এত কিছু দেখার পরও মাঝে মাঝে কেন জানি আরো একটু বেশী দেখতে মন চায়। দিনগুলো শুরু হয় নানা চাওয়া মধ্য দিয়ে তাই দিনের শুরুর বার্তা আমাদের জীবনের জন্য বেশ গুরুত্বপূর্ণ। যারা বাইরে কাজ করি, তারা অনেকটা রোবটের মত কোথায় যেন নির্দেশনা দেওয়া আছে সেই নির্দেশনার বাইরে যাওয়া কোন সুযোগ নেই। ঘুম থেকে ওঠা নিজেকে প্রস্তুত করা, সেই সাথে দৈনন্দিন কাজ শেষ করবার বাসনা নিয়ে বের হওয়া। সব সময় যে কাজ ভালো লাগে বিষয়টি তেমন নয় কিন্তু এর বাইরে যাবার সুযোগ ও নেই। জীবনের নানা রকমের ভুল সিধান্তের মধ্য চাকুরী করতে চাওয়ার স্বপ্নটা যে ভূল ছিল। যারা দীর্ঘদিন একই অবস্থানে একই বেতনে কাজ করেছেন তারাই বলতে পারবেন। আমাদের নানা রকম সংকটের মধ্যে একই জায়গায় দীর্ঘ দিন কাজ করাটাও একধরনের সংকট সেই সংকট আরো প্রকট হয় যখন সেই কাজের প্রকৃত মুল্যায়ন পাওয়া যায়না । যত সময় যায় কাজের প্রতি মানুষের অনীহা বাড়তে থাকে সেই অবস্থানের প্রতি দিন দিন বিরক্তি প্রকাশ পায় এর ফলে যারা সেবা/শিক্ষা নিতে আসেন তারা যথার্থ সেবা বা শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হন। একঘেয়েমী আসলে আসলে নিজের উপর নিয়ন্ত্রন রাখা শক্ত । আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আচেন যাদের প্রতিটা সকাল শুরু হয় উৎকন্ঠায় কাজ হারানোর ভয়ে কিংবা হেরে যাওয়ার ভয়ে। সময়ের সাথে পাল্লা মানুষের চিরন্তন। এই চিরন্তন সত্যর সাথে প্রতিনিয়ত যুদ্ধ চলতে থাকে। কঠিন থেকে কঠিনতর যুদ্ধ। যারা খুব আশাবাদী মানুষ তাদের অবস্থাটা একটু ভিন্ন হয় কারন তারা নিজেকে বার বার বোঝাতে চান যে কোন একটু সকালের সংবাদ ই তাকে পরিবর্তন করে দিতে পারে। তাই সেই সকালে অপেক্ষায় দিনের পর পর দিন অপেক্ষা করে যান। কেউ কেউ তো অপেক্ষার প্রহর গুনতে গুনতে শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্তই চলে যান। এমন অনেকেই আছি যারা প্রতিদিন ঘুমাতে যাবার আগে নিজেকে একটু সান্তনা দিয়ে নেই। ভয় নেই স্যার কিংবা বড় ভাই বলেছে খুব বেশীদিন কস্ট থাকবে না। বেতন না বাড়লে কাজের স্থায়ীত্ব দেবে। আবার অনেকেই ভাবি হয়তো সামনের সকাল থেকেই আমার নবজাগরন শুরু। আমার জাগরন হয় কিন্তু আমার ভাগ্যের নবজাগরন হয়না। আজকে ভাগ্যে নেই বলে নিজেকে আবার ভূল সান্তনা দিতে আমরা ভূল করিনা। এত সান্তনার রসদ স্রস্টা আমাদের দিয়েছেন যে যতকিছুই ঘটে যাক আমরা স্বাভাবিকভাবে নিতে পারি। এত কিছু কমতির মধ্যে এটাই আমাদের বড় কর্মগুন। আমাদের দিনগুলো কিভাবে কাটে সেটা আমরা নিজেরাই মাঝে মধ্যে ভূলে যাই। এক অভাবের মধ্যেও আমরা বিশ্বের নৃসংশতম সামাজিকতা রক্ষার জন্য উঠে পড়ে লেগে যাই। সমাজ আমাদের বোঝাতে চেস্টা করে, সামাজিকতা ছাড়া পুরো পৃথিবী তুমি চলতে পারবেনা । আমি তখন অবাক দৃষ্টিতে প্রশ্ন করি এত কিছুর পরও আমাকে দিয়ে বাধ্য কেন করা হচ্ছে। প্রতি উত্তর যা আসে সেটা আরো ভয়ানক। একটি সুন্দর সকাল দেখবো বলে আজো নিদ্রার মাঝে জেগে ওঠি। ঘুম ভেঙ্গে যায় আবার ঘুমিয়ে সেই নিদ্রাকে আর ধরা যায়না। যে ভোরের আশায় আমার অপেক্ষা সেই ভোরের পরই আমার সাপুরের বীনের কথা মনে পড়ে। এখন জাগতে হবে সেই বীনের নেশায় নিজেকে প্রস্তুত করতে হবে। এসে আবার অণিশ্চিত কর্মঘন্টা সেই সাথে অনিশ্চিত কর্ম পরিবেশ। হয়তো খুব ভোরে ওঠে নিজেকে সতেজ করবার মিথ্যা চেস্টার পর যতটা করা যায় করে উপস্থিত হয়েই কোথায় যেন সব হারিয়ে যায়। সেই বিরক্তিকর পরিবেশে অণিশ্চিত ভবিসৎ। সেই আশার বানী এখনো হৃদয়ে বাস করে কিন্তু সেই আশার বানীতে কখনো পুলকিত করা সম্ভব হয়নি। সময় বদলায় ঘড়ির কাটা ও ক্যালেন্ডারের পাতার পরিবর্তন হয়। কিন্তু আমাদের নবজাগরনের কোন সুবাতাস পাওয়া যায়না। সব কিছুতেই ধোয়াশা থেকেই যায়। সেই ধোয়াশায় এখন এক রকমের অন্ধ বললে ভূল হবেনা। এখন আর রাস্তা দেখতে পাইনা যা দেখি তা আলো আধারীর খেলা। আলো আছে কিন্তু সেই আলোয় নিজেকে দেখা যায়না। কেন জানি অন্ধ অন্ধ লাগে। কোথায় আমার সেই ভোরের আলোর সুবাতাস । কোথায় আমার স্বপ্ন কোথায় আমার সেই সুসংবাদময় সকাল…..


Comments

Popular posts from this blog

নিয়মের বাইরে একদিন

কে যে কখন কার মন ভালো করার কারন হবে সেটা কেও বলতে পারে না । এই জন্যই জীবন এত সুন্দর এত মধুর ভালোবাসা আছে বলেই হয়তো এই জিনিস গুলো ভালো লাগে । জীবন কি এক কোথায় এর কোণ উত্তর নেই তাই তো জীবন এর উত্তর দিতে হলে অনেক ভাগে অনেক ভাবে দেওয়া যায় ।জীবনের সব সময় যে সুন্দর সেটা বুঝতে বাকিনেই । কোণ এক হালকা বাতাস আপনার জীবনকে মোর দিতে পারে নিয়ে যেতে পারে অন্নদিকে । তেমনি আমি একজন যার কোণ চালচুলো না থাকলেও আছে ভালো থাকার অনেক অনেক মাধ্যম । যাদের সাথে মনের মিল ভাবের মিল হয় তাদের সাথে সবাই চলতে ভালোবাসে আর সেই ভালোবাসাই মনের গভীরে বাধাই করে রাখার মত । আজ ২৯.৬.১৯ দিন শুক্রবার সারা দিন ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিয়েছি যার মুক্ষম উদাহরন হল আজ জুম্বার এর নামাজে যাওয়াই হয়নি । তার পর আলসেমি ক্রএ সারাটা দিনপার । ঘুমিয়ে ভালো স্বপ্ন দেখছিলাম পড়ে সেই স্বপ্ন নিয়ে চিন্তা করছিলাম কেন এটা দেখলাম অনেক জানা অজানা কারন মনে পড়ল । ভাবতে ভাবতে আবার ঘুম এক সারা দিনটাই যেন ঘুম কে দিয়ে দিয়েছি , তাই আর কোণ ভাবনা নেই বাইরে যাবো সেটা ভাবনায় নেই । তারপরও এক ছাত্রের কল পেয়ে চলে গেলাম বাইরে । ভাবিনি এত ভালো কাটবে বাকিটা সময় । একটু বর্ণনা করি ...

সিস্টেম এনালাইসিস

সিস্টেম এনালাইসিস অতি- সংক্ষিপ্ত (২*৫)=১০ ১। সিস্টেম বলতে কি বুঝায় ? ২। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট এর লাইফ সাইকেল এর ধাপ গুলো লিখ ? ৩। সিস্টেম এনালাইসিস কাকে বলে ? ৪।   ইনফরমেশন গেদারিং টুলস    এর তালিকা লিখ ?   ৫। DFD কাকে বলে ? ৬। ইনফরমেশন এর প্রকারভেদ ? ৭।   সিস্টেম এনালিস্ট কাকে বলে ? ৮। ডাটা ডিকশনারি বলতে কি বুঝ ? ৯।   সিস্টেম এর বৈশিষ্ট্য গুলো লিখ ? ১০। ওপেন সিস্টেম কাকে বলে সংক্ষিপ্ত (৩*৬)=১৮   ১১ । DFD অঙ্কন এর নিয়ম গুলো লিখ ? ১২ ।   বিভিন্ন ধরনের Closed Questionnaire এর প্রকারভেদ লিখ ? ১৩। । ইউজার রিকুয়েস্ট ফর্ম এর ফিল্ড গুলো লিখ ? ১৪। । একজন সিস্টেম   এনালিস্ট ও প্রোগ্রামের এর মাঝে পার্থক্য লিখ ? ১৫ । কম্পিউটার-বেস ড ইনফরমেশন এর গুরুত্ব লিখ ? ১৬ । ওপেন সিস্টেম এবং ক্লোজ সিস্টেম এর মাঝে পার্থক্য লিখ ? ১৭। ইনফরমেশন এর   গুনাবলি লিখ ? ১৮। সিস্টেম ডেভেলপমেন্ট লাইফ সাইকেল ব্যাখ্যা কর। ১৯। একজন সিস্টেম এনালিস্ট এর কি কি অতীত অভিজ্ঞতা দরকার হয় ২০। সিস্টেম   এনালাইসিস এর ক্ষেত্রে   প্ল...

জীবনের মধ্য দুপুর

  সময় ঘড়ি বলছে এখন জীবনের মধ্য দুপুর তাই সময়ের অনেক কাজ দ্রত সম্পাদন করতে হবে । সময় কখন চলে গেছে বুঝতে পারিনি। তাই তো সময়টাকেও বড্ড বেশী অসময় বলে মনে হয়। নিজের বাইরে অন্যদের দিকে তাকালে দেখতে পাই সবাই কেমন জানি অন্য একটা জগতের মধ্যে ঢুকে গেছে। শুধুই আমি একলা পড়ে আছি। সময়ের সাথে সঙ্গ দিত সবাই বিয়ে করে স্থায়ী বাসনার দিকে মনোনিবেশ করছে আর আমি বসে আছি। আমার মতো করে।