দিনের গভীরে এ মাঝে মাঝে আলোর বড্ড অভাব বোধ করি। চারিদিকে এত আলো অথচ এই আলো আমাকে আলোকিত করতে পারেনা আমার ভাবনায় দোলা দেয়না না, অথচ সেই আমিই আছি। একটা সময় সব কিছুতেই কেমন জানি স্বাভাবিক অনুভুতি আমারও হত । রাতের আধারে আলোর মতন।নিজেকে খুজে পেতাম। খুব ত আগের কথা নয় , তবুও সবকিছুই এখন সৃতি সৃতি যে মানুষকে কাদায়,হাসায় আবার ভাবনায় বিমোহিত করে তোলে সেই আলোর বড্ড অভাব বোধ করি এখন। খাদ্য অভাবে যেমন একটি সচল সজিব দেহ, নির্জীব হয়ে যায় ঠিক তেমনি সুস্থ ভাবনাবিহিন একজন মানুষ একটা নিদিষ্ট সময় পর ভাবনার দিকে থেকে শুকিয়ে যায়। আস্তে আস্তে হতাশার জগত তাকে গ্রাস করে ফেলে । তখন পিছনে ফেলে আশা হাজারো সুখের সৃতিগুলো আর নিজেকে আলোকিত করতে পারেনা । আমাকে আমার ভাবনাকে যতই জাগিয়ে তুলতে চায়, ঠিক তার চেয়েও বেশি গতিতে কোথায় জেন দুবিয়ে দিয়ে যায়। অতিতের ভালো সৃতি চেষ্টা করে আমাকে সজিব রাখতে কিন্তু আমি সৃতির বেগের সাথে শুকিয়ে যায়। একটা সময় আসে জখন নিজেকে আর খুজেই পাইনা । দিনে দিনে ভাবনায় শুকিয়ে গেছি তাই অল্পেতেই বুড়িয়ে গেছি । ডুবে যায় হতাশার সাগরে ।