Skip to main content

Posts

Showing posts from May, 2018

১০ টি প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য টিপস

স্বাস্থ্যসচেতনতায় আরও একটু বেশি সক্রিয় হওয়া সবসময়ই উচিত। স্বাস্থ্যই সকল সকল মূল কথাটি মিথ্যে নয়, তাই নজর রাখুন সাস্থ্যের প্রতি। মেনে চলুন সাস্থ্য রক্ষায় উপকারী নিয়মগুলো। আজ তেমনই উপকারী ১০ টি টিপস নিয়ে এসেছি আপনার জন্য.. >মাথাব্যথা হলে প্রচুর মাছ খান। মাছের তেল মাথাব্যথা প্রতিরোধে দারুণ কার্যকর। খেতে পারেন আদা। প্রদাহ এবং ব্যথা নিরাময়ে তা বিশেষভাবে কার্যকর। জ্বর হলে খেতে পারেন ইয়োগার্ট। মধুও খেতে পারেন।স্ট্রোক প্রতিরোধ চা খান। বিভিন্ন সমীক্ষায় দেখা গেছে নিয়মিত চা খেলে ধমনীর গাত্রে ফ্যাট জমতে পারে না। ফলে ঝুঁকি কমে আসে অনেকখানি। স্তন ক্যান্সার প্রতিরোধে গমজাত খাদ্য, বাঁধাকপি কার্যকর। >আলসারের সমস্যায় বাঁধাকপি বিশেষভাবে উপযোগী। এতে থাকা খাদ্যোপাদান গ্যাস্ট্রিক এবং ডিওডেনাল আলসার হিল করতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ দেহের জন্য কতোটা ক্ষতিকর?

মানুষ হরহামেশাই কর্মক্ষেত্রে মানসিক চাপ অনুভব করে। এই মানসিক চাপ অনেক সময় স্বল্প মেয়াদে মানুষকে কাজের প্রতি অনুরাগী হতে সহায়তা করে। যেমন- আপনি যদি চাকরি থেকে ছাঁটাই হয়ে যাওয়া নিয়ে উদ্বেগ অনুভব করেন, তবে নতুন চাকরি খুঁজতে তৎপর হয়ে উঠবেন। ব্রিটিশ মনোবিজ্ঞানী অ্যাডাম বোরল্যান্ড বলেন, সীমিত মানসিক চাপ আমাদের প্রতিদিনের চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করতে সহায়তা করে। মানসিক চাপযুক্ত পরিস্থিতিতে আপনি যতো বেশি পড়বেন, তা সামলানোর দক্ষতাও আপনার মধ্যে ততো বাড়বে। কিন্তু মানসিক চাপ বা উদ্বেগ মানুষের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদী সমস্যারও জন্ম দেয়। যেমন- ১। ঘুমের ব্যাঘাত ২। বিরক্তি বা খিটখিটে মেজাজ ৩। কর্মদক্ষতা কমে যাওয়া ৪। অ্যালকোহোল, তামাক বা মাদকাসক্তি ৫। খাদ্যের প্রতি অনিহা এছাড়াও দীর্ঘদিন মানসিক চাপ অনুভবের কারণে মানুষের অগোচরে জন্ম নিতে পারে ভয়ানক এক সমস্যা। উদ্বেগের মুহূর্তে দেহের সহানুভূতিশীল নার্ভাস সিস্টেম স্বক্রিয় হয়ে ওঠে। ফলে মানুষের দেহ উদ্বেগ দমনে নিজের অজান্তেই শারীরিকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করে। এ পর্যায়ে মানুষ শারীরিক দিক থেকে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। হয়তো আপনি কখনোই আপনার চাকরিদাতাকে...

জন্ডিস নিয়ে কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য

    জন্ডিস নিজে কোনো রোগ নয়, বরং এটি রোগের লক্ষণ। জন্ডিস হতে পারে নানা কারণে। জন্ডিস বলতে সাধারণত লিভারের প্রদাহজনিত জন্ডিসকেই বোঝানো হয়। ভাইরাস থেকে শুরু করে নানা ধরনের ওষুধ, অ্যালকোহল ইত্যাদি কারণে লিভারে প্রদাহ হতে পারে। আমাদের দেশে লিভার প্রদাহের প্রধান কারণ হেপাটাইটিস ই, এ এবং বি ভাইরাস। এর মধ্যে প্রথম দুটি পানি ও খাদ্যবাহিত আর তৃতীয়টি ছড়ায় মূলত রক্তের মাধ্যমে। হেপাটাইটিস এ ভাইরাস প্রধানত শিশুদের জন্ডিসের কারণ, তবে যেকোনো বয়সের মানুষই হেপাটাইটিস ই ও বি ভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারে। এ বিষয়ে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক সাঈদা রহিম বলেন, প্রস্রাবের রং, চোখ ও ত্বক হলদে দেখালে জন্ডিস হয়েছে বলে সন্দেহ করা হয়। অনেক কারণেই জন্ডিস হতে পারে। তাই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে জন্ডিসের কারণ, মাত্রা, জটিলতা ইত্যাদি জেনে নেওয়া উচিত। আর জন্ডিসের রোগীরা তাদের খাওয়া-দাওয়ার ব্যাপারে খুবই বিভ্রান্তিতে থাক...

চোখের এলার্জির

প্রতি চারজন মানুষের মধ্যে একজন কোনো না কোনো প্রকার চোখের অ্যালার্জিজনিত সমস্যায় ভুগে থাকেন। এটা খুবই সাধারণ অসুখ, তবে ছোঁয়াচে নয়। অ্যালার্জিজনিত সমস্যা সাধারণত নির্মূল করা যায় না। তবে প্রতিরোধ করা যায়। কাজটা কিছুটা কঠিন যদিও। অ্যালার্জি কী? শরীরের এক ধরনের প্রতিরোধব্যবস্থার কারণেই অ্যালার্জি হয়। কোনো জিনিসের প্রতি শরীরের অতি সংবেদনশীলতা থাকলে ওই বস্তু বা জিনিস শরীরের সংস্পর্শে এলেই অতিদ্রুত লাল হয়ে যায়, চুলকায়, ফুলে যায়, পানি পড়ে ইত্যাদি। যখন অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী বস্তু চোখের সংস্পর্শে আসে তখন চোখেও একই প্রতিক্রিয়া হয়। একে চোখের অ্যালার্জি বা কনজাংটিভাইটিস বলা হয়। অনেকে আবার চোখের অ্যালার্জিকে অন্য অসুখ বলে ভুল করেন। কী কী দিয়ে অ্যালার্জি হয়? যেসব পদার্থ দিয়ে অ্যালার্জি হয় তাদের বলা অ্যালার্জেন। যেমন- * খাবার : ইলিশ মাছ, চিংড়ি মাছ, গরুর মাংস, ডিম, পালংশাক, পুঁইশাক ইত্যাদি। * চোখে ব্যবহার্য প্রসাধনী সামগ্রী। * উদ্ভিদ-ফুলের রেণু, ধুলাবালি, পোকামাকড় ইত্যাদির চোখে প্রবেশ। * ওষুধে ব্যবহৃত প্রিজারভেটিভ ও ওষুধের পার্শ্ব- প্রতিক্রিয়া। ...

এলার্জি* *এলার্জিযুক্তখাবার*

এলার্জি সমস্যা রক্তের গ্রুপ অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন খ্যাদের মাধ্যমে বেশি অনুভূত হয়। যেসব খাবার খেলে এলার্জি সমস্যা বাড়ে সেগুলো নিচে তুলে ধরা হল।  যাদের রক্তের গ্রুপ ‘ও’ তাদের ক্ষেত্রে রাজ হাঁস, মাগুর মাছ, শিঙমাছ, চীনাবাদাম, কাজুবাদাম, পোস্তদানা, এভাকাডো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, জলপাই, লাল আলু, বেগুন, আইসক্রিম, দুধ, দই, নারকেল, তেতুল, স্ট্রবেরি, আপেল ইত্যাদি এলার্জি বাড়াতে পারে। যাদের রক্তের গ্রুপ ‘এ’ তাদের জন্য এলার্জি তৈরী করতে পারে নিচের খাবার গুলোঃহাঁসের মাসংস, গুরুর মাংস, কোয়েল পাখি, মাগুর মাছ, ডিম, সামুদ্রিক মাছ, মাখন, ঘন দুধ, পেস্তাবাদাম, কাজুবাদাম, মিষ্টি আলু, বেগুন, জলপাই, কমলা, পেপে, আম, টমেটো ইত্যাদি। রক্তের গ্রুপ ‘বি’ এর জন্য এলার্জি যুক্ত খাবারের তালিকাঃ হাঁসের মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, ব্লু চিজ, ভুট্টা, চীনাবাদাম, পেস্তাবাদাম, জলপাই, কুমড়া, টমোটো, আইক্রিম, দুধ, দই, নারিকেল, ডালিম, কামরাঙ্গা, টমেটো ইত্যাদি। রক্তের গ্রুপ ‘এবি’ এর জন্য এলার্জি যুক্ত খাবারের তালিকাঃ হাঁসের মাসংস, গুরুর মাংস, কোয়েল পাখি, কাঁকড়া, চিংড়ি, লবস্টার, পারমিজান, ব্লু চিজ, ...

ডেল কার্নেগীর স্মরণীয় ২৫টি উক্তি

ডেল কার্নেগীর স্মরণীয় ২৫টি উক্তি ” ====================== ( ১ ) যার কথার চেয়ে কাজের পরিমাণ বেশি , সাফল্য তার কাছেই এসে ধরা দেয় , কারণ যে নদী যত গভীর তার বয়ে যাওয়ার শব্দ ততো কম। . ( ২ ) মনে রাখবেন , আপনি কে বা আপনার কি আছে তার উপর আপনার সুখ নির্ভর করে না , আপনার সুখ নির্ভর করে আপনি কেমন চিন্তা করেন তার উপর। . ( ৩ ) যা আপনাকে পীড়া দেয় , এমন বিষয় নিয়ে এক মিনিটের বেশি ভাববেন না। . ( ৪ ) মানুষের গুণ নিয়ে প্রতিযোগিতা করুন দোষ নিয়ে নয়। . ( ৫ ) মনে রাখবেন আজকের দিনটি গতকাল আপনার কাছে আগামীকাল ছিল। যেটার কথা ভেবে গতকাল আপনি চিন্ তিত ছিলেন আজ নয়। . ( ৬ ) আপনি ভাল মানুষ হলেই পুরো জগৎবাসী আপনার সঙ্গে ভাল ব্যবহার করবে এমনটা আশা করা ঠিক নয়। আপনি নিরামিষভোজী হলে কি কোন ষাঁড় আপনাকে তাড়া করবে না ?" . ( ৭ ) অস্পষ্টতায় ভরা দূরের কিছুর চেয়ে কাছের স্পষ্ট কিছু দেখাই আমাদের দরকার। . ( ৮ ) কি কাজ করতে চলেছেন সে সম্পর্কে কোনো ধারণা না থাকার অর্থ আপনি অন্ধকারের যাত্রী কোনো অন্ধের মত। . ( ৯ ) মন্দ সহচর্যের চেয়ে নিঃসঙ্গতা অনেক ভালো। . ( ১০ ) মানুষ যখন রাগান্বিত অবস্থায় , তখন ...