Skip to main content

Posts

বদলে যাওয়া সময়ের দিকে

বদলে যাওয়া সময় এর কথা মনে করে কাদেনি এমন মানুস খুব কম ই পাওয়া জায় । স্ময়ের সাথে তাল মিলিয়ে চলার নাম ই জীবন আর এই জিবনের প্রতিটি ধাপ এই  সময়ের উপর রাখতে হয় আমাদের অঘাত বিশ্বাস আর প্রতিদান জা পাই সেতা দিয়ে আসলে জিবনের সাধ গুল   পুরন হয় না । আমাদের চাওয়া এক দিকে  যেমন আকাশ চুম্মি তেমনি অন্ন দিকে । জা পাই সেটাও নেহাত ই অনেক কম সময়ের পালা ফেরে চলে জাই । ভাসি অনাবিল দুঃখের সাগরে ।  জিবনের কাছে প্রস্ন করি কেন এম্ন হল আর কেন বা আমার সাথে এমন হয় । সেই দূর আকাশের তারা কেন আমারা পাই না । আর কোথায় আমাদের গন্তব্য সেতাও কার ও জানা নেই ।এই ত সে দিন অতিতের কথা গুল মনে পরে কি মনটাই না খারাপ হল । আবার সেই  পুরাতন বন্ধু পেয়ে অনেক মজা হল সব ই জিবনের খেলা

নিজের অবস্তান

আবার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে! অনলাইনে একজন অর্থের বিনিময়ে গণিত প্রশ্ন বিক্রি করছে, প্রশ্নপত্র ফাঁসকারী সন্দেহে পুলিশ একজনকে গ্রেপ্তার করেছে, বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে।’ না! এই খবর বাংলাদেশের নয়! খবরটি খোদ যুক্তরাজ্যের। এ বছর জুন মাসে অনুষ্ঠিত এ-লেভেল পরীক্ষার গণিত পরীক্ষার প্রশ্ন ৩০০ পাউন্ডে অনঅলাইনে কিনতে পাওয়া গেছে। শুধু এবারই নয়, গেল বছরও এ-লেভেল পরীক্ষার অর্থনীতি ও গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছিল। এ বছর ভারতে সেন্ট্রাল বোর্ডের সেকেন্ডারি পরীক্ষার গণিত ও অর্থনীতি পরীক্ষার প্রশ্ন পরীক্ষার আগেই হোয়াটসঅ্যাপে ছড়িয়ে পড়লে ২৮ লাখ পরীক্ষার্থীকে আবার পরীক্ষা দিতে হয়। পাকিস্তান, নেপাল, মালোয়েশিয়া, মিসর, রাশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া, হংকংসহ পৃথিবীর অনেক দেশেও প্রশ্নপত্র ফাঁসের মতো ঘটনা ঘটে। এর নিগলিতার্থ হলো পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়া কোনো আচানক বা বিরল ঘটনা নয়। তবে তাঁর মানে এই নয় যে আমাদের দেশে যেভাবে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়, তা কোনো স্বাভাবিক ঘটনা। দুই. বাংলাদেশে কোনো পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে এখন কেউ চোখ কপালে তোলেন না। কারণ পাবলিক পরীক্ষা, নিয়োগ পরীক্ষা, ভর্তি পরীক্ষা সব পরীক্ষায়...

আউট’ বই কি পড়ালেখায় ক্ষতি করে?

আমাদের দেশে গল্পের বইয়ের আরেকটা নাম আছে আউট বই বা বাইরের বই। মানে পাঠ্যপুস্তকের বাইরে যেকোনো বইকে আমাদের অভিভাবকেরা বাইরের বই বলে ভাবতে এবং বলতে অভ্যস্ত; অর্থাৎ এটা পাঠ্যপুস্তকের মধ্যে পড়ে না। এটা বাইরের বিষয় এবং তাঁদের মানসিকতাটাই এমন যে পরীক্ষায় ভালো ফল করতে গেলে গল্পের বই পড়ার মতো মনোযোগ নষ্টকারী বিষয় অবশ্য পরিত্যাজ্য। সারা জীবনে মার কাছে যত পিটুনি–বকুনি খেয়েছি, তার শতকরা ৯০ ভাগ খেয়েছি গল্পের বই পড়ার জন্য। বর্তমানেও এর যে খুব বেশি ব্যতিক্রম হয়, এ রকম মনে করার কোনো কারণ নেই। ২০১৬ সালে আমাদের অফিসে শিশু দিবস উপলক্ষে অনেক বাচ্চাকাচ্চা এসেছে, তো তাদের মধ্যে কিশোর দলটাকে আমরা জিজ্ঞেস করলাম কার কার বাবা–মা গল্পের বই পড়লে বকা দেন? দুঃখজনক হলেও সত্যি প্রায় ১০–১২ জনের একটা দল, সবাই হাত তুলল। এটা আমার জন্য চমক ছিল। কারণ আজ থেকে ২০–২২ বছর আগে আমি ওই বয়সী ছিলাম, আমার মা উচ্চশিক্ষিত ছিলেন না, চাকরি করতেন না, কাজেই গল্পের বই বিষয়ে তাঁর আপত্তি থাকতে পারে, সেটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই বাচ্চাকাচ্চাগুলোর বাবা–মা সবাই উচ্চশিক্ষিত এবং আন্তর্জাতিক সংস্থায় বড় বড় চাকরি করেন, ইতিমধ্যে ২০ বছর সম...

একজন শিক্ষক কীভাবে বন্ধু হতে পারেন

স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির বয়সটা আমাদের সময় ছিল পাঁচ কি ছয়। সেটিই ছিল শুরুর সোপান। আমার ছেলের যখন স্কুলে যাওয়ার বয়স হলো, দেখা গেল, সেটি এগিয়ে এসে চার কি পাঁচে দাঁড়িয়েছে। যেহেতু কিন্ডারগার্টেন স্কুল তত দিনে চালু হয়ে গেছে, যাতে শুরু করতে হয় প্রাক-প্রথম শ্রেণিতে। এখন তো দেখি প্রি-কিন্ডারগার্টেনের জমানা, তিন বছর বয়সেই শুরু হয় স্কুল। আর কয়েক বছর পর ভালো স্কুলে নাম লেখাতে হবে সন্তান জন্মের পরপরই। অথবা কে জানে, তারও আগে। কিন্তু যে বয়সেই শিশু প্রথম তার স্কুলে পা রাখুক না কেন, তার থাকে অনেক ভয়, বিস্ময়, উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা। পরিবারের সুরক্ষিত, আদর-যত্নে আনন্দঘন একটা পরিসর ছেড়ে তাকে ঢুকতে হয় অনিশ্চিত, অরক্ষিত একটি অঞ্চলে; নিয়ম আর শাসনের একটা ঘেরে। সেখানে প্রায় প্রতিটি মুখ অপরিচিত; তার অভিভাবক হয়ে যিনি সামনে দাঁড়ান, সেই শিক্ষক তার অচেনা। অনেকটা সময় তাকে একটানা কাটাতে হয় একটা অচেনা ঘরে, এর ভেতরে যা যা ঘটে, সেসব তার প্রতিদিনের কাজকর্ম থেকে একেবারে আলাদা। . স্কুলের প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির বয়সটা আমাদের সময় ছিল পাঁচ কি ছয়। সেটিই ছিল শুরুর সোপান। আমার ছেলের যখন স্কুলে যাওয়ার বয়স...

হাসিখুশি ক্লাসরুমের জন্য সাতটি কৌশল

হাসিখুশি ভরা একটা ক্লাসরুম শিশুদের পড়াশোনা, তাদের অনুভূতি এবং সুস্থ সমাজ গঠনের জন্য একান্ত প্রয়োজনীয়। ফিলিস ফারিয়াস যে সব বাচ্চারা প্রতিদিন স্কুলে যায় তাদের ক্ষেত্রে দিনের একটা বড় সময় কাটে ক্লাসরুম বা শ্রেণিকক্ষে। শিক্ষাদান এবং শিক্ষা পাওয়ার জন্য স্কুলের ক্লাসরুম একটা উপযুক্ত জায়গা। এই কারণে ক্লাসরুমের নিরাপত্তা, খুশি এবং বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এখানে সাতটি কৌশলের কথা বলা হল যার  সাহায্যে একজন শিক্ষক একটা ইতিবাচক শ্রেণিকক্ষ বা ক্লাসরুম তৈরি করতে পারেন। সেগুলি হল- ১. 'খুব ভালো হয়েছে'-এই বলে বাচ্চাদের প্রশংসা করা: বাচ্চাদের নিখুঁত কাজ ও আচরণের প্রশংসা করার জন্য একজন শিক্ষক অপেক্ষা করতে থাকেন। অনেকসময়ে শিক্ষকদের মন এতটাই খুঁতখুঁতে হয় যে তারা ছোট ছোট কাজের জন্য ছাত্র-ছাত্রীদের প্রশংসা করতেই পারেন না। এর বদলে শিক্ষকরা যদি শিশুদের কাজের একটু প্রশংসা করে তাহলে কি বাচ্চাগুলো তাদের লক্ষ্যপূরণের দিকে একটু একটু করে এগিয়ে যেতে সক্ষম হবে না? কেন ব্ল্যানচার্ডের 'হোয়েল ডান' বইতে বলা হয়েছে যে 'দারুণ হয়েছে' বা 'ভালো হয়েছে...

ektu refresh mnet er jonno